ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে নওগাঁর ১৩ প্রবাসী ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করা সেই ভাইরাল মিজান গ্রেপ্তার অর্গানোগ্রাম ও জনবল পুনর্বিন্যাসে ইউজিসির সমর্থন চায় পবিপ্রবি ‘কমিটিতে শিক্ষক নিয়োগ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে পারে’—উদ্বেগ সংশ্লিষ্টদের বরিশালে বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৩ বরিশালের ভাসমান পেয়ারার হাট, রপ্তানির সম্ভাবনাঃ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ‘ডন’ গ্রেপ্তার, সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি শরণখোলায় হামিম পরিবহনের ধাক্কায় নিহত ১,আহত-৪ খুলনায় ঘর কেড়ে নিয়েছে নদী,স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে শহর খুলনায় র‌্যাবের অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার,গ্রেপ্তার-৪

আমতলীর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলীর সোনাখালী গ্রামে কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ ও র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর যৌথ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার সাভার থানার কলমা এলাকা থেকে হাবিব প্যাদা (৫৫) ও মো. জিয়া প্যাদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের মৃত মঞ্জু প্যাদার ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল বিকেলে, যখন পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের আবুল প্যাদা তার বাড়ির দরজায় রোপণ করা পাঁচটি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ করেন একই বাড়ির হাবিল প্যাদার বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরদিন ১১ এপ্রিল শুক্রবার রাতে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

বাকবিতণ্ডার শব্দ শুনে মৃত মোনসের আলী প্যাদার ছেলে আলমগীর প্যাদা (৪২) বাইরে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করতে গেলে হোচেন প্যাদা, হাবিল প্যাদা ও শাহারুল প্যাদার নেতৃত্বে ১০-১২ জন তাকে বেধড়ক মারধর করে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার ভাতিজা জুলহাস প্যাদা (২৮) ও ভাতিজি শাহিনুর বেগম (৩২) একইভাবে হামলার শিকার হন।

তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আলমগীর প্যাদাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৩১) আমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার আসামির তালিকায় হাবিব প্যাদা ও জিয়া প্যাদার নামও ছিল।

র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিং অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাভার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে নওগাঁর ১৩ প্রবাসী

আমতলীর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার

Update Time : ০৯:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলীর সোনাখালী গ্রামে কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ ও র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর যৌথ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার সাভার থানার কলমা এলাকা থেকে হাবিব প্যাদা (৫৫) ও মো. জিয়া প্যাদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের মৃত মঞ্জু প্যাদার ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল বিকেলে, যখন পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের আবুল প্যাদা তার বাড়ির দরজায় রোপণ করা পাঁচটি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ করেন একই বাড়ির হাবিল প্যাদার বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরদিন ১১ এপ্রিল শুক্রবার রাতে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

বাকবিতণ্ডার শব্দ শুনে মৃত মোনসের আলী প্যাদার ছেলে আলমগীর প্যাদা (৪২) বাইরে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করতে গেলে হোচেন প্যাদা, হাবিল প্যাদা ও শাহারুল প্যাদার নেতৃত্বে ১০-১২ জন তাকে বেধড়ক মারধর করে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার ভাতিজা জুলহাস প্যাদা (২৮) ও ভাতিজি শাহিনুর বেগম (৩২) একইভাবে হামলার শিকার হন।

তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আলমগীর প্যাদাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৩১) আমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার আসামির তালিকায় হাবিব প্যাদা ও জিয়া প্যাদার নামও ছিল।

র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিং অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাভার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


 

প্রিন্ট করুন :