ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

দিন-রাত বিদ্যুতের লুকোচুরি,চরম ভোগান্তিতে আগৈলঝাড়াবাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৪ Time View

 

 

মো:আশরাফ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় গত কয়েক দিন ধরে চাহিদার তুলনায় মাত্র ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দিন-রাতজুড়ে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে যেমন বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, তেমনি রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ মেগাওয়াট। অথচ এ সময়ে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে ব্যাপক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

এদিকে অফ-পিক সময়ে, অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় ৮ মেগাওয়াট। কিন্তু এ সময়েও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট। ফলে দিনের বেলাতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া গেলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সকল গ্রাহককে ধৈর্য ধারণ এবং সার্বিক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

এদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

দিন-রাত বিদ্যুতের লুকোচুরি,চরম ভোগান্তিতে আগৈলঝাড়াবাসী

Update Time : ০৬:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

 

 

মো:আশরাফ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় গত কয়েক দিন ধরে চাহিদার তুলনায় মাত্র ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দিন-রাতজুড়ে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে যেমন বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, তেমনি রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ মেগাওয়াট। অথচ এ সময়ে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে ব্যাপক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

এদিকে অফ-পিক সময়ে, অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় ৮ মেগাওয়াট। কিন্তু এ সময়েও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট। ফলে দিনের বেলাতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া গেলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সকল গ্রাহককে ধৈর্য ধারণ এবং সার্বিক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

এদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দারা।

প্রিন্ট করুন :