ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক কলাপাড়ায় কবিরাজের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার

চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৯ Time View

 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি আওয়ামী লীগের দুই নেতা আব্দুল জাহির ও আব্দুর রাজ্জাক রাজুর প্রকাশ্যে চলাফেরা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত দলটির অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে গেলেও এই দুই নেতা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল জাহির এবং উলামা লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক রাজু। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও চার্জশিটের তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি ধরে রেখেছেন তাঁরা।

এরপরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলসহ উপজেলাবাসী।

মামলার নথি অনুযায়ী, আব্দুর রাজ্জাক রাজু (৪৩), পিতা মৃত মানিক মিয়া, চুনারুঘাট উপজেলার ২ নম্বর আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুনারুঘাট থানায় মোট ছয়টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২০২৩ সালের ২৯ জুন দায়ের করা এফআইআর নং-৩৬, জিআর নং-২১৮ মামলায় দণ্ডবিধির ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪ ধারায় তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই মামলায় ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট ৩১০ নম্বর চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২০ সালের ৯ জুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবং ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল, ২০১৭ সালের ১৭ মে, ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর ও ২০২৪ সালের ৭ মে পৃথক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলায় মারামারি, হামলা, চুরি, হুমকি ও অনধিকার প্রবেশসহ বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারাও রয়েছে।

অন্যদিকে আব্দুল জাহির (৩৭), পিতা ছায়েদ আলী, একই ইউনিয়নের হারাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চুনারুঘাট থানায় চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৭ মে দায়ের করা এফআইআর নং-৮, জিআর নং-১০৬ মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৩/৩৭৯/১০৯ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)(খ)/৩০ ধারায় তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা এফআইআর নং-১৮, জিআর নং-৪৪ মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯ নম্বর চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০১৪ সালের ১ জুন দায়ের করা একটি মামলা এবং ২০২৩ সালের ২৯ জুন দায়ের করা মামলাতেও আব্দুল জাহিরের নাম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৩ সালের একই মামলায় আব্দুর রাজ্জাক রাজুও অভিযুক্ত।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় পদ-পদবি ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে চুনারুঘাটের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করতেন এই দুই নেতা। তাঁদের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক, বিভিন্ন মিছিল, সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবিও তাঁদের কাছে রয়েছে। সরকার পতনের পরও তাঁদের প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাঁদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা পুনরায় সক্রিয় করার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, চুনারুঘাটে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হলেও একাধিক মামলার আসামি এই দুই নেতার ক্ষেত্রে এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনগত পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের পদবী ধারী নেতা ও বিভিন্ন মামলার নথিতে নাম ও চার্জশিট থাকার পরও কেন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি?

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল জাহির ও আব্দুর রাজ্জাক রাজুর বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগের পদবী ধারী নেতাদের দ্রুত গ্রেফতার ও অন্যান্য মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা, আদালতের নির্দেশনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে অচিরেই গ্রেপ্তারের বাস্তবায়ন দেখতে চান চুনারুঘাটের ফ্যাসিস্ট বিরোধী সাধারণ মানুষ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন

Update Time : ১১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি আওয়ামী লীগের দুই নেতা আব্দুল জাহির ও আব্দুর রাজ্জাক রাজুর প্রকাশ্যে চলাফেরা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত দলটির অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে গেলেও এই দুই নেতা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল জাহির এবং উলামা লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক রাজু। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও চার্জশিটের তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি ধরে রেখেছেন তাঁরা।

এরপরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলসহ উপজেলাবাসী।

মামলার নথি অনুযায়ী, আব্দুর রাজ্জাক রাজু (৪৩), পিতা মৃত মানিক মিয়া, চুনারুঘাট উপজেলার ২ নম্বর আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুনারুঘাট থানায় মোট ছয়টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২০২৩ সালের ২৯ জুন দায়ের করা এফআইআর নং-৩৬, জিআর নং-২১৮ মামলায় দণ্ডবিধির ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪ ধারায় তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই মামলায় ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট ৩১০ নম্বর চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২০ সালের ৯ জুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবং ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল, ২০১৭ সালের ১৭ মে, ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর ও ২০২৪ সালের ৭ মে পৃথক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলায় মারামারি, হামলা, চুরি, হুমকি ও অনধিকার প্রবেশসহ বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারাও রয়েছে।

অন্যদিকে আব্দুল জাহির (৩৭), পিতা ছায়েদ আলী, একই ইউনিয়নের হারাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চুনারুঘাট থানায় চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৭ মে দায়ের করা এফআইআর নং-৮, জিআর নং-১০৬ মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৩/৩৭৯/১০৯ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)(খ)/৩০ ধারায় তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা এফআইআর নং-১৮, জিআর নং-৪৪ মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯ নম্বর চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০১৪ সালের ১ জুন দায়ের করা একটি মামলা এবং ২০২৩ সালের ২৯ জুন দায়ের করা মামলাতেও আব্দুল জাহিরের নাম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৩ সালের একই মামলায় আব্দুর রাজ্জাক রাজুও অভিযুক্ত।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় পদ-পদবি ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে চুনারুঘাটের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করতেন এই দুই নেতা। তাঁদের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক, বিভিন্ন মিছিল, সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবিও তাঁদের কাছে রয়েছে। সরকার পতনের পরও তাঁদের প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাঁদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা পুনরায় সক্রিয় করার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, চুনারুঘাটে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হলেও একাধিক মামলার আসামি এই দুই নেতার ক্ষেত্রে এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনগত পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের পদবী ধারী নেতা ও বিভিন্ন মামলার নথিতে নাম ও চার্জশিট থাকার পরও কেন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি?

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল জাহির ও আব্দুর রাজ্জাক রাজুর বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগের পদবী ধারী নেতাদের দ্রুত গ্রেফতার ও অন্যান্য মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা, আদালতের নির্দেশনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে অচিরেই গ্রেপ্তারের বাস্তবায়ন দেখতে চান চুনারুঘাটের ফ্যাসিস্ট বিরোধী সাধারণ মানুষ।

প্রিন্ট করুন :