ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খুলনায় ঘর কেড়ে নিয়েছে নদী,স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে শহর খুলনায় র‌্যাবের অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার,গ্রেপ্তার-৪ ইয়াবাসহ আটকের পর ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার সাপে কামড়ের পর অ্যান্টিভেনম না দিয়ে রেফার, পথে অ্যাম্বুলেন্সে মৃত্যু  সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে লড়াই, ঘরভাড়া দিতে চুল বিক্রি করলেন রেহানা ধর্মপাশায় পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইবোনের মর্মান্তিক মৃত্যু পটুয়াখালীর দুমকিতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা, আটক ১ পাবনায় গোপন কক্ষে চোরাই গরু, পুলিশের হাতে আটক-১ ‘বাবা কোথায়?’—জুলাই শহীদের মেয়ের প্রশ্ন, স্ত্রী চান বিচার ও চাকরি শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান, এসকাফ সিরাপসহ আটক-১

খুলনায় ঘর কেড়ে নিয়েছে নদী,স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে শহর

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ Time View

 

খুলনা প্রতিনিধিঃ একসময় নদীর পাড়ে ছিল নিজের ঘর, আবাদি জমি আর জীবিকার নিশ্চয়তা। এখন সেই ঘর নদীগর্ভে, জমি লবণাক্ততায় অনুর্বর। ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের একের পর এক আঘাতে সর্বস্ব হারিয়ে বাঁচার তাগিদে পরিবার নিয়ে খুলনা শহরে ছুটে আসছেন উপকূলের মানুষ। কিন্তু শহরেও মিলছে না নিরাপদ আশ্রয়, স্থায়ী কর্মসংস্থান কিংবা নিশ্চিন্ত ভবিষ্যৎ। ফলে উপকূল হারানো অসংখ্য পরিবার এখন বস্তি, ফুটপাত কিংবা ভাড়াবাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে গত এক দশকে সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্পান ও ইয়াসসহ একের পর এক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে হাজারো পরিবার তাদের বসতভিটা ও কৃষিজমি হারিয়েছে।

অনেক এলাকায় চাষাবাদ ও মাছচাষ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জীবিকার পথও সংকুচিত হয়েছে। জীবিকার সংকট ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে প্রতিনিয়ত মানুষ শহরমুখী হচ্ছেন। খুলনা মহানগরের বিভিন্ন বস্তিতে গড়ে তুলছেন নতুন ঠিকানা। তবে সেখানে নেই পর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা, নিরাপদ বাসস্থান কিংবা স্থায়ী কর্মসংস্থান। ফলে প্রতিদিনই নতুন সংগ্রামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এসব জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবারকে।

খুলনার কয়রা উপজেলার আকরাম আলী বলেন, “তিন-চারবার আমাদের ঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। শেষবার আর থাকার মতো জায়গা ছিল না। জমিতে লবণ উঠে যাওয়ায় চাষাবাদও বন্ধ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই শহরে এসেছি। কিন্তু এখানেও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে।”

দাকোপ উপজেলার বৌমার গাছতলা এলাকার বাসিন্দা রস্তম ফকির বলেন, “বছরের অধিকাংশ সময় জমি পানির নিচে থাকে। লবণাক্ততার কারণে ফসলও হয় না। কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে উপকূল ছেড়ে শহরে আসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”

উপকূল থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষের বড় একটি অংশ বর্তমানে খুলনা শহরের শতাধিক বস্তিতে বসবাস করছেন। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, কেউ গৃহকর্মী, আবার কেউ ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে শহরে স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় অনেকেই সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানির সংকট, ড্রেনেজ সমস্যা ও অনিশ্চিত আয়ের কারণে তাদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

দাকোপ উপজেলার বানিয়শান্তা এলাকার আফরোজা বেগম বলেন, “উপকূলে অন্তত নিজের জমি ছিল। এখন শহরে ভাড়া বাসায় থাকি। কখন কাজ পাই, কখন পাই না। সন্তানদের লেখাপড়াও ঠিকমতো চালাতে পারছি না। তবু ফিরে যাওয়ার মতো পরিবেশ আর নেই।”

পাইকগাছা উপজেলার সরল গ্রাম থেকে পাঁচ বছর আগে খুলনায় আসা আফসানা বেগম বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ে সব হারিয়ে প্রথমে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। পরে বস্তিতে উঠেছি। এখানে পানির সমস্যা, নিরাপত্তাহীনতা ও নানা কষ্ট নিয়েই দিন কাটাতে হচ্ছে।”

বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, খুলনা মহানগরের বস্তিগুলোর প্রায় ৭২ শতাংশ বাসিন্দাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা থেকে আসা জলবায়ু অভিবাসী। গত এক দশকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার পরিবার খুলনা শহরের বিভিন্ন বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে।

কারিতাস খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক অ্যালবিনো নাথ বলেন, “জলবায়ু বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রতিবছরই বাড়ছে। তারা শুধু আশ্রয় হারাচ্ছেন না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই বিষয়টিকে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।”

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই অভিবাসন এখন একটি স্থায়ী বাস্তবতা। তাই শুধু শহরে আশ্রয় নয়, উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় মানুষের টিকে থাকার পরিবেশ সৃষ্টি, টেকসই কর্মসংস্থান, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হলে আগামী দিনে জলবায়ু বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। আর তখন শুধু উপকূল নয়, খুলনাসহ দেশের শহরগুলোর ওপরও বাড়বে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ।

নদী কেড়ে নিচ্ছে ভিটেমাটি, আর শহরের বস্তি দিচ্ছে অনিশ্চিত আশ্রয়—জলবায়ু পরিবর্তনের এই নির্মম বাস্তবতায় উপকূলের হাজারো মানুষের জীবন এখন যেন ঠিকানাহীন এক দীর্ঘশ্বাস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

খুলনায় ঘর কেড়ে নিয়েছে নদী,স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে শহর

খুলনায় ঘর কেড়ে নিয়েছে নদী,স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে শহর

Update Time : ১১:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

 

খুলনা প্রতিনিধিঃ একসময় নদীর পাড়ে ছিল নিজের ঘর, আবাদি জমি আর জীবিকার নিশ্চয়তা। এখন সেই ঘর নদীগর্ভে, জমি লবণাক্ততায় অনুর্বর। ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের একের পর এক আঘাতে সর্বস্ব হারিয়ে বাঁচার তাগিদে পরিবার নিয়ে খুলনা শহরে ছুটে আসছেন উপকূলের মানুষ। কিন্তু শহরেও মিলছে না নিরাপদ আশ্রয়, স্থায়ী কর্মসংস্থান কিংবা নিশ্চিন্ত ভবিষ্যৎ। ফলে উপকূল হারানো অসংখ্য পরিবার এখন বস্তি, ফুটপাত কিংবা ভাড়াবাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে গত এক দশকে সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্পান ও ইয়াসসহ একের পর এক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে হাজারো পরিবার তাদের বসতভিটা ও কৃষিজমি হারিয়েছে।

অনেক এলাকায় চাষাবাদ ও মাছচাষ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জীবিকার পথও সংকুচিত হয়েছে। জীবিকার সংকট ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে প্রতিনিয়ত মানুষ শহরমুখী হচ্ছেন। খুলনা মহানগরের বিভিন্ন বস্তিতে গড়ে তুলছেন নতুন ঠিকানা। তবে সেখানে নেই পর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা, নিরাপদ বাসস্থান কিংবা স্থায়ী কর্মসংস্থান। ফলে প্রতিদিনই নতুন সংগ্রামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এসব জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবারকে।

খুলনার কয়রা উপজেলার আকরাম আলী বলেন, “তিন-চারবার আমাদের ঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। শেষবার আর থাকার মতো জায়গা ছিল না। জমিতে লবণ উঠে যাওয়ায় চাষাবাদও বন্ধ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই শহরে এসেছি। কিন্তু এখানেও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে।”

দাকোপ উপজেলার বৌমার গাছতলা এলাকার বাসিন্দা রস্তম ফকির বলেন, “বছরের অধিকাংশ সময় জমি পানির নিচে থাকে। লবণাক্ততার কারণে ফসলও হয় না। কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে উপকূল ছেড়ে শহরে আসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”

উপকূল থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষের বড় একটি অংশ বর্তমানে খুলনা শহরের শতাধিক বস্তিতে বসবাস করছেন। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, কেউ গৃহকর্মী, আবার কেউ ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে শহরে স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় অনেকেই সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানির সংকট, ড্রেনেজ সমস্যা ও অনিশ্চিত আয়ের কারণে তাদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

দাকোপ উপজেলার বানিয়শান্তা এলাকার আফরোজা বেগম বলেন, “উপকূলে অন্তত নিজের জমি ছিল। এখন শহরে ভাড়া বাসায় থাকি। কখন কাজ পাই, কখন পাই না। সন্তানদের লেখাপড়াও ঠিকমতো চালাতে পারছি না। তবু ফিরে যাওয়ার মতো পরিবেশ আর নেই।”

পাইকগাছা উপজেলার সরল গ্রাম থেকে পাঁচ বছর আগে খুলনায় আসা আফসানা বেগম বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ে সব হারিয়ে প্রথমে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। পরে বস্তিতে উঠেছি। এখানে পানির সমস্যা, নিরাপত্তাহীনতা ও নানা কষ্ট নিয়েই দিন কাটাতে হচ্ছে।”

বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, খুলনা মহানগরের বস্তিগুলোর প্রায় ৭২ শতাংশ বাসিন্দাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা থেকে আসা জলবায়ু অভিবাসী। গত এক দশকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার পরিবার খুলনা শহরের বিভিন্ন বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে।

কারিতাস খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক অ্যালবিনো নাথ বলেন, “জলবায়ু বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রতিবছরই বাড়ছে। তারা শুধু আশ্রয় হারাচ্ছেন না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই বিষয়টিকে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।”

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই অভিবাসন এখন একটি স্থায়ী বাস্তবতা। তাই শুধু শহরে আশ্রয় নয়, উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় মানুষের টিকে থাকার পরিবেশ সৃষ্টি, টেকসই কর্মসংস্থান, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হলে আগামী দিনে জলবায়ু বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। আর তখন শুধু উপকূল নয়, খুলনাসহ দেশের শহরগুলোর ওপরও বাড়বে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ।

নদী কেড়ে নিচ্ছে ভিটেমাটি, আর শহরের বস্তি দিচ্ছে অনিশ্চিত আশ্রয়—জলবায়ু পরিবর্তনের এই নির্মম বাস্তবতায় উপকূলের হাজারো মানুষের জীবন এখন যেন ঠিকানাহীন এক দীর্ঘশ্বাস।

প্রিন্ট করুন :