এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের পদ্ধতিতে এনেছে বড় পরিবর্তন। নতুন পদ্ধতিতে সাময়িক বরখাস্ত, মৃত বা বেতন বন্ধ থাকা কেউ আর অটোমেটিকভাবে বেতন পাবেন না। ফলে সরকারের অর্থ অপচয় বন্ধ হবে।
এবার থেকে ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে বেতন ছাড়ের আগে শিক্ষক-কর্মচারীদের তালিকা মাসভিত্তিক যাচাই করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রতিমাসে অনলাইনে শিক্ষক-কর্মচারীদের তালিকা সাবমিট করবেন। মাউশির ইএমআইএস সেল তা যাচাই করে প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। প্রস্তাব অনুমোদন হলে সরকারি আদেশ (জিও) জারি করে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।
কর্মকর্তারা জানান, অতীতে আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে ঢালাওভাবে বেতন ছাড় হতো। তাতে ভুলক্রমে বরখাস্ত বা মৃত শিক্ষকদের বেতনও চলে যেত। এই অনিয়ম দূর করতেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এদিকে ডিসেম্বরের ৭ম ধাপ, জানুয়ারির ৪র্থ ধাপ, ফেব্রুয়ারির ৩য় ও মার্চের ২য় ধাপের বেতন প্রস্তাব শিগগিরই পাঠানো হবে। এরপর এপ্রিলের বেতন নিয়ে কাজ শুরু হবে। টেকনিক্যাল কারণে ধাপগুলোতে দেরি হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রসঙ্গত, আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে অ্যানালগ পদ্ধতিতে বেতন তুলতেন। সময়ক্ষেপণ ও হয়রানি রোধে গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটি চালুর ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এরপর ধাপে ধাপে ইএফটির আওতায় আসেন ২ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী। এখন তাদের বেতন দেওয়া হবে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 

























