বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে। এই সিদ্ধান্তের পরপরই রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ছাত্র-জনতা উল্লাসে ফেটে পড়ে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে শাহবাগ থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা, যা ছড়িয়ে পড়ে বাংলামোটর পর্যন্ত।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও উদ্দীপনার নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের জাতীয় রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এর আগে, চলমান আন্দোলন ও গণদাবির প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শনিবার রাত ১১টায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।
আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আওয়ামী লীগ ও এর নেতাদের বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ট্রাইব্যুনালের বাদী-সাক্ষীদের সুরক্ষার স্বার্থে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় দলটির যাবতীয় কার্যক্রম—including সাইবার স্পেসে—নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র শিগগিরই জারি করা হবে।
এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 





















