ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের পটুয়াখালীতে সৌদি খেজুরবাগানের ফলনধরা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলামের দুমকিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত ১৬ সিলেটে বাস-বাস সংঘর্ষে নিহত ৯, নিহতের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী সাবেক পুলিশ সদস্যের মৎস্য খামারে মরদেহ উদ্ধার পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

‎গাংনী এতিমখানায় শিশুর মৃত্যু: নানা প্রশ্ন,তদন্তে পুলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩০ Time View

‎মেহেরপুর প্রতিনিধি:
‎মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার একটি এতিমখানায় হুসাইন (৯) নামে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জন ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

‎নিহত হুসাইন গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের আযান গ্রামের বিপ্লব হোসেনের ছেলে। এতিমখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল।

‎এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট মিজানুর রহমান জানান, রোববার সকাল ৮টার দিকে এতিমখানার শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে আগাছা পরিষ্কারের কাজে অংশ নেয়। এ সময় হুসাইন সিঁড়ির ওপর বসে খেলছিল। কিছুক্ষণ পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার (১৩) কক্ষে ফিরে গিয়ে হুসাইনকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। তার শরীরের পাশে রক্ত দেখতে পেয়ে সে দ্রুত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক (বাবুল হুজুর) ও সুপারিনটেনডেন্টকে বিষয়টি জানায়।

‎পরে এতিমখানা কর্তৃপক্ষ দ্রুত হুসাইনকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান নয়ন বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।”

‎খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

‎গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিক মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এরপর সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এদিকে, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলাকালে শিশুটির একা সিঁড়িতে থাকা এবং কক্ষের ভেতরে তার পাশেই রক্ত ও একটি দড়ি পড়ে থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের

‎গাংনী এতিমখানায় শিশুর মৃত্যু: নানা প্রশ্ন,তদন্তে পুলিশ

Update Time : ০২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

‎মেহেরপুর প্রতিনিধি:
‎মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার একটি এতিমখানায় হুসাইন (৯) নামে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জন ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

‎নিহত হুসাইন গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের আযান গ্রামের বিপ্লব হোসেনের ছেলে। এতিমখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল।

‎এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট মিজানুর রহমান জানান, রোববার সকাল ৮টার দিকে এতিমখানার শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে আগাছা পরিষ্কারের কাজে অংশ নেয়। এ সময় হুসাইন সিঁড়ির ওপর বসে খেলছিল। কিছুক্ষণ পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার (১৩) কক্ষে ফিরে গিয়ে হুসাইনকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। তার শরীরের পাশে রক্ত দেখতে পেয়ে সে দ্রুত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক (বাবুল হুজুর) ও সুপারিনটেনডেন্টকে বিষয়টি জানায়।

‎পরে এতিমখানা কর্তৃপক্ষ দ্রুত হুসাইনকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান নয়ন বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।”

‎খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

‎গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিক মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এরপর সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এদিকে, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলাকালে শিশুটির একা সিঁড়িতে থাকা এবং কক্ষের ভেতরে তার পাশেই রক্ত ও একটি দড়ি পড়ে থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে

প্রিন্ট করুন :