ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের পটুয়াখালীতে সৌদি খেজুরবাগানের ফলনধরা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলামের দুমকিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত ১৬ সিলেটে বাস-বাস সংঘর্ষে নিহত ৯, নিহতের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী সাবেক পুলিশ সদস্যের মৎস্য খামারে মরদেহ উদ্ধার পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

দুমকীতে গেজেট বাতিলে নীরব তিন মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের অপেক্ষা চিঠির

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

পটুয়াখালীর দুমকী  উপজেলার তিন মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১৩ নভেম্বর উপসচিব হরিদাস ঠাকুরের সই করা পরিপত্রে বরিশাল বিভাগের মোট ২৮ জনের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর মধ্যে দুমকীর তিনজন রয়েছেন।

বাতিল হওয়া মুক্তিযোদ্ধারা হলেন—দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়ার প্রয়াত হাতেম আলী খলিফার ছেলে মো. মোক্তার আলী খলিফা (গেজেট নং ৫৭০), উত্তর মুরাদিয়ার প্রয়াত রাজেন্দ্রলাল ঘোষালের ছেলে সন্তোষ কুমার ঘোষাল (গেজেট নং ৪৭২) এবং উত্তর মুরাদিয়ার প্রয়াত সের আলী বিশ্বাসের ছেলে আশ্রাব আলী বিশ্বাস (গেজেট নং ৪৭৫)।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, পাঙ্গাশিয়ার মো. সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন—ওই মুক্তিযোদ্ধারা অবৈধ উপায়ে সনদ গ্রহণ করেছেন। অভিযোগের পর গত বছরের ২০ অক্টোবর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই বছরের ৪ নভেম্বর উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আল-আমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) তাঁদের কার্যালয়ে ডেকে কাগজপত্র পুনরায় যাচাই করে।

গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর আশ্রাব আলী বিশ্বাসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। মোক্তার আলী খলিফা বলেন, “গেজেট বাতিল হয়েছে কি না, তা আমি জানি না।” সন্তোষ কুমার ঘোষালের ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুমকী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল আজিজ সরকার বলেন, “ওই সময়ে আমার কাছে চারটি রাইফেল ছিল। তিনজনকে তিনটি দেওয়ার পর একটি দেওয়ার মতো উপযুক্ত কাউকে পাইনি—তাই রাইফেলটি আমাকেই নিতে হয়েছিল।” তিনি আরও তথ্য জানতে প্রতিবেদককে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেন।

দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “গেজেট বাতিলের চিঠি এখনো পাইনি। চিঠি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের

দুমকীতে গেজেট বাতিলে নীরব তিন মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের অপেক্ষা চিঠির

Update Time : ০৫:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

পটুয়াখালীর দুমকী  উপজেলার তিন মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১৩ নভেম্বর উপসচিব হরিদাস ঠাকুরের সই করা পরিপত্রে বরিশাল বিভাগের মোট ২৮ জনের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর মধ্যে দুমকীর তিনজন রয়েছেন।

বাতিল হওয়া মুক্তিযোদ্ধারা হলেন—দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়ার প্রয়াত হাতেম আলী খলিফার ছেলে মো. মোক্তার আলী খলিফা (গেজেট নং ৫৭০), উত্তর মুরাদিয়ার প্রয়াত রাজেন্দ্রলাল ঘোষালের ছেলে সন্তোষ কুমার ঘোষাল (গেজেট নং ৪৭২) এবং উত্তর মুরাদিয়ার প্রয়াত সের আলী বিশ্বাসের ছেলে আশ্রাব আলী বিশ্বাস (গেজেট নং ৪৭৫)।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, পাঙ্গাশিয়ার মো. সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন—ওই মুক্তিযোদ্ধারা অবৈধ উপায়ে সনদ গ্রহণ করেছেন। অভিযোগের পর গত বছরের ২০ অক্টোবর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই বছরের ৪ নভেম্বর উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আল-আমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) তাঁদের কার্যালয়ে ডেকে কাগজপত্র পুনরায় যাচাই করে।

গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর আশ্রাব আলী বিশ্বাসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। মোক্তার আলী খলিফা বলেন, “গেজেট বাতিল হয়েছে কি না, তা আমি জানি না।” সন্তোষ কুমার ঘোষালের ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুমকী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল আজিজ সরকার বলেন, “ওই সময়ে আমার কাছে চারটি রাইফেল ছিল। তিনজনকে তিনটি দেওয়ার পর একটি দেওয়ার মতো উপযুক্ত কাউকে পাইনি—তাই রাইফেলটি আমাকেই নিতে হয়েছিল।” তিনি আরও তথ্য জানতে প্রতিবেদককে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেন।

দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “গেজেট বাতিলের চিঠি এখনো পাইনি। চিঠি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

প্রিন্ট করুন :