ডেস্ক রিপোর্ট ||
পায়রা সেতু চালুর পর সড়ক ও জনপথ বিভাগের দুটি ফেরি পড়ে আছে দুমকীর বাহেরচর এলাকায়। চার বছর ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থেকে ফেরিগুলোর গায়ে ধরেছে মরিচা, চুরি হয়ে গেছে যন্ত্রাংশ। অবহেলায় বিনষ্ট হচ্ছে সরকারি সম্পদ।
২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর পায়রা সেতু উদ্বোধনের পর ফেরিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর জাতীয় পার্টির তৎকালীন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের নির্দেশে ফেরিগুলো রাখা হয় বাহেরচরে পায়রা নদীর তীরে। তারপর থেকেই পড়ে আছে অযত্নে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফেরিগুলোর ভেতরে জমে আছে মাটি ও আবর্জনা, ধাতব অংশে মরিচা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে ফেরি থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে যন্ত্রপাতি।
ঝাটারা এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “বছরের পর বছর পড়ে আছে ফেরিগুলো। বিক্রি বা সংস্কার করলে সরকারেরও উপকার হতো।”
জলিশা এলাকার মো. শাহিন বলেন, “এভাবে ফেলে না রেখে ফেরিগুলো চালু করা যেত। অন্তত জনগণের কাজে লাগত।”
ফেরির এক স্টাফ মো. কায়েস বলেন, “আগে ফেরিগুলো দুমকী-বরিশালের গোমা রুটে চলত। এখন অনেক দিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ না হওয়ায় নিলামে তোলা হয়নি।”
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ফেরিগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অযত্ন, চুরি আর সময়ের ক্ষয়ে হারিয়ে যাচ্ছে সরকারি ফেরি দুটো—পায়রার পারে ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে মরিচায় কোটি টাকার সম্পদ।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 



















