নিজস্ব প্রতিবেদক:
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের কালেখা গ্রামের মজিদ মুন্সির ছেলে মো. মনির মুন্সী দীর্ঘ ২১ বছর হংকংয়ে থাকার পর সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির উদ্যোগ নিলে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্রের প্রয়োজন হয়। এ সংক্রান্ত কাজে মুরাদিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান ফোরকানের সহযোগিতা নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
মনির মুন্সীর দাবি, হাফিজুর রহমান ফোরকান ও তার পরিবার তাদের নিকটাত্মীয়। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্কের কারণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজে তিনি ফোরকানের সহযোগিতা নেন। তবে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে হাফিজুর রহমান ফোরকানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মনির মুন্সী বলেন, “এখানে কোনো ঘুষের লেনদেন হয়নি। আমার বিশেষ অনুরোধে তিনি দুই-তিনবার পটুয়াখালী গিয়ে আমার কাজটি করে দিয়েছেন। সৌজন্যের খাতিরে আমি তাকে শুধু যাতায়াতের খরচ দিয়েছি।”
এ বিষয়ে মহিউদ্দিন মৃধা বলেন, “আমি ও মনির ভাই তার কাগজপত্র ঠিক করার জন্য কয়েকবার পটুয়াখালীতে যাই। পরে আমি ঢাকায় চলে আসার আগে বর্তমান চেয়ারম্যানকে বিশেষভাবে অনুরোধ করি। এরপর তিনি পটুয়াখালী গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ব্যবস্থা করে এনে দেন।”
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান ফোরকান বলেন, “মহিউদ্দিন ও মনিরের অনুরোধে তাদের ব্যক্তিগত কাজের জন্য আমাকে দুই-তিনবার পটুয়াখালী যেতে হয়েছে। এ যাতায়াতের খরচ হিসেবে সে আমাকে কিছু টাকা দিয়েছে। বিষয়টি আপনারা তদন্ত করে দেখেন।”
মনির মুন্সী অভিযোগ করেন, ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কে বা কারা পাশ থেকে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেছে। এতে হাফিজুর রহমান ফোরকানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
নিজের প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা ও সময় দেওয়ার জন্য হাফিজুর রহমান ফোরকানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মনির মুন্সী বলেন, “বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি যদি দ্রুত ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেওয়া না হয়, তাহলে আমরা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেব।”
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম 



















