Dhaka 6:03 pm, Thursday, 18 June 2026

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাজন হত্যায় উত্তাল রায়পুরা, থানা ঘেরাও শিক্ষার্থীদের

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাজন শিকদারের নির্মম হত্যাকাণ্ডে উত্তাল হয়ে উঠেছে নরসিংদীর রায়পুরা।

রোববার (৪ মে) দুপুরে রাজনের সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী থানার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন।

তাদের দাবি—রাজনের খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। প্রধান আসামি পাড়াতলী ইউপি মেম্বার আশরাফুর রহমানসহ ১৬ জনের নামে মামলা হলেও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের।

প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান বলেন, “রাজন ছিল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। এমন নির্মম হত্যার বিচার না হলে অন্য শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।”

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক দোকানে রাজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রায়পুরা থানার ওসি আদিল মাহমুদ জানান, “অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

রাজনের পরিবার ও শিক্ষার্থীরা বলছে—গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাজন হত্যায় উত্তাল রায়পুরা, থানা ঘেরাও শিক্ষার্থীদের

Update Time : 09:20:38 pm, Sunday, 4 May 2025

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাজন শিকদারের নির্মম হত্যাকাণ্ডে উত্তাল হয়ে উঠেছে নরসিংদীর রায়পুরা।

রোববার (৪ মে) দুপুরে রাজনের সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী থানার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন।

তাদের দাবি—রাজনের খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। প্রধান আসামি পাড়াতলী ইউপি মেম্বার আশরাফুর রহমানসহ ১৬ জনের নামে মামলা হলেও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের।

প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান বলেন, “রাজন ছিল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। এমন নির্মম হত্যার বিচার না হলে অন্য শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।”

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক দোকানে রাজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রায়পুরা থানার ওসি আদিল মাহমুদ জানান, “অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

রাজনের পরিবার ও শিক্ষার্থীরা বলছে—গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

 

প্রিন্ট করুন :