মামুন হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি||
ভোলার চরফ্যাশনে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে ডোবা থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার দুলারহাট থানার আবুবকরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া ছাত্রের নাম মো. তামিম (১৫)। তিনি আবুবকরপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ওই এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে।
তামিমের মা আরজু বেগম অভিযোগ করেন, পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁর দুই দেবর শেখ ফরিদ ও খোকন তামিমকে হত্যার চেষ্টা করেছেন। আরজু বলেন, তাঁর স্বামী ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি ছেলে তামিমকে নিয়ে গ্রামে থাকেন। গত ২৭ অক্টোবর বাবার বাড়ি বেড়াতে গেলে সুযোগ বুঝে অভিযুক্তরা তামিমকে সুপারি চুরির অভিযোগে মারধর করে।
শনিবার মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শেখ ফরিদসহ কয়েকজন তামিমকে পথরোধ করে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাঁরা তামিমের হাত-পা বেঁধে পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরলে তামিমের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত শেখ ফরিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তাঁর ভাই খোকন বলেন, “তামিম আমাদের ভাতিজা। কী হয়েছে, আমি জানি না।”
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ইফতেখার বলেন, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাউথ বাংলা ডেস্ক 



















