ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

বাউফলে অস্ত্র-সন্ত্রাসে যুবলীগ নেতা মামুনসহ দু’জন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

অস্ত্র উঁচিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় ‘পেশিশক্তির মহড়া’—শেষ পর্যন্ত হাতকড়া পড়ল বাউফলের যুবলীগ নেতা মামুন হাওলাদার (৩৪)-এর হাতে। সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন শাহাবুদ্দিন (৪৫) নামের আরও একজন সহযোগী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নগরের হাট ও কাশিপুর এলাকায় পৃথক অভিযানে দু’জনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে বাউফল থানা পুলিশ।

গ্রেফতার মামুন নওমালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শাহাবুদ্দিন আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি।
ডিবির দাবি, মামুন হাওলাদার এলাকাবাসীর কাছে “চিহ্নিত সন্ত্রাসী”। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে দমনে তিনি নানামুখী অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ডিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের সামনে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, প্রতিপক্ষের ওপর মারধর ও ভাংচুর—এমন একাধিক ঘটনায় জড়িত ছিলেন মামুন।
বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা চলমান। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধেও রয়েছে নানাবিধ অপরাধমূলক অভিযোগ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি জসিম উদ্দিন বলেন— “বাউফল থানার অফিসিয়াল অনুরোধে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়।”

বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার জানান,“গ্রেফতারকৃতদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই গ্রেফতারে।
নির্বাচনী মাঠে অস্ত্রের ঝনঝনানি আর দলীয় পরিচয়ে ‘দাপট দেখানো রাজনীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ বলছে
“বিচার যদি হয়, তবে হোক সবাইর জন্য সমানভাবে—দল-পরিচয় দেখে নয়।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

বাউফলে অস্ত্র-সন্ত্রাসে যুবলীগ নেতা মামুনসহ দু’জন গ্রেফতার

Update Time : ০৮:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

অস্ত্র উঁচিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় ‘পেশিশক্তির মহড়া’—শেষ পর্যন্ত হাতকড়া পড়ল বাউফলের যুবলীগ নেতা মামুন হাওলাদার (৩৪)-এর হাতে। সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন শাহাবুদ্দিন (৪৫) নামের আরও একজন সহযোগী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নগরের হাট ও কাশিপুর এলাকায় পৃথক অভিযানে দু’জনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে বাউফল থানা পুলিশ।

গ্রেফতার মামুন নওমালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শাহাবুদ্দিন আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি।
ডিবির দাবি, মামুন হাওলাদার এলাকাবাসীর কাছে “চিহ্নিত সন্ত্রাসী”। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে দমনে তিনি নানামুখী অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ডিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের সামনে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, প্রতিপক্ষের ওপর মারধর ও ভাংচুর—এমন একাধিক ঘটনায় জড়িত ছিলেন মামুন।
বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা চলমান। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধেও রয়েছে নানাবিধ অপরাধমূলক অভিযোগ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি জসিম উদ্দিন বলেন— “বাউফল থানার অফিসিয়াল অনুরোধে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়।”

বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার জানান,“গ্রেফতারকৃতদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই গ্রেফতারে।
নির্বাচনী মাঠে অস্ত্রের ঝনঝনানি আর দলীয় পরিচয়ে ‘দাপট দেখানো রাজনীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ বলছে
“বিচার যদি হয়, তবে হোক সবাইর জন্য সমানভাবে—দল-পরিচয় দেখে নয়।”

প্রিন্ট করুন :