পাবনার ঈশ্বরদী
পদ্মার শান্ত ঢেউয়ের নিচে জমে ছিল রোষ, আর সেই রোষ বৃহস্পতিবার সকালে রূপ নিল এক ঘণ্টার রণক্ষেত্রে। চরপদ্মার বালুর দখল নিতে দুই পক্ষের মধ্যে ঘটে গেল ধুন্ধুমার সংঘর্ষ—গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হলেন অন্তত ৭ জন।
ঘটনা সকাল সাড়ে দশটার দিকে, ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের চরে। দাশুড়িয়ার সেলিম হোসেন থেকে শুরু করে কুষ্টিয়ার শওকত ইসলাম—গুলিবিদ্ধদের শরীরে এখনও বারুদের তাপ লেগে আছে। গুরুতর আহত সেলিম হোসেন এখন রাজশাহী মেডিকেলে, মৃত্যুর সাথে লড়ছেন চুপচাপ।
দুই পক্ষ—একদিকে কুষ্টিয়ার কাকন, আর অন্যদিকে ঈশ্বরদীর যুবদল নেতা সুলতান আলী টনি বিশ্বাস। পুরনো বিরোধ, উত্তপ্ত মহড়া, আর তারপরই চরের বুক চিরে ট্রলার নিয়ে হামলা। একপক্ষ বলছে তারা বৈধ ইজারাদার, আরেকপক্ষের হাতে নাকি শুধু অস্ত্র আর লোভ।
টনি বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, “আমি খাজনা আদায় করছি নিয়ম মেনে। ওরা এসে হামলা চালালো। আমার ১০-১২ জন আহত, ৭ জনের গায়ে গুলি লেগেছে।”
অন্যদিকে, কাকন? বহুবার চেষ্টা করেও ফোন ধরেননি। চুপ করে আছেন।
নৌ পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। পুলিশি টহল চলছে। কিন্তু চর পদ্মায় এখনো থমথমে আতঙ্ক—আর বারুদের গন্ধটা যেন এখনো ভাসছে হাওয়ায়।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 














