পটুয়াখালী প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতা, ভয়ভীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালী-১ আসনের এগারো দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ডা. মেজর আব্দুল ওহাব মিনার। আজ ভোটগ্রহণ চলাকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক আবেদনে তিনি এ দাবি জানান।
আবেদনে বলা হয়, গত রাত থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী এজেন্ট ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো, অবরুদ্ধ করে রাখা, মারধর এবং অগ্নিসংযোগের হুমকি দেওয়া হয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।
ডা. ওহাব মিনার অভিযোগ করেন, গত রাতে ধানের শীষ প্রতীকের দুষ্কৃতিকারীরা মাধবখালী ও কাকড়াবুনিয়া এলাকায় তাঁর নির্বাচনী এজেন্টদের মারধর করে এবং আটকে রাখে। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় আহত এজেন্টদের উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকেই এজেন্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন এজেন্টরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে তাঁদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয় এবং ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়। তাঁর এক সমর্থক শহিদুল ইসলাম আসলামকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট না দেওয়ার কারণে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে পটুয়াখালী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একাধিক কর্মী ও এজেন্ট আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভোটগ্রহণ অবিলম্বে স্থগিত করে পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানান তিনি।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















