Dhaka 3:19 pm, Thursday, 18 June 2026

জুলাই বিপ্লবের পরে বেড়েছে সাইবার বুলিং: উদ্বেগে নাগরিক সমাজ

বাংলাদেশে ‘জুলাই বিপ্লব’–পরবর্তী সময় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আন্দোলন-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনা, মতবিরোধ এবং বিভাজনমুখী বক্তব্যের কারণে ফেসবুক, টিকটক ও এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমানসূচক ভাষা ও হুমকির ঘটনায় ব্যাপকভাবে গুজব সহ অপমান অপদস্ত করা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক মতের পার্থক্য বা সমালোচনার নামে যেভাবে ব্যক্তি, বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু, ভিন্নমতাবলম্বী এবং আন্দোলনকর্মীদের লক্ষ্য করে ট্রল, গুজব ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হচ্ছে, তা উদ্বেগজনক।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতার ঘাটতি থাকায় এই ধারা ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। অনেক ভুক্তভোগী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, কেউ কেউ আইনি প্রতিকার চেয়েও পাচ্ছেন না।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ‘জুলাই বিপ্লব’ ছিল একটি রাজনৈতিক জাগরণের নাম। কিন্তু সেই জাগরণকে দমন করতে যারা ভয়ভীতির হাতিয়ার হিসেবে সাইবার হামলা বেছে নিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

নাগরিক সমাজ সরকারের কাছে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post

জুলাই বিপ্লবের পরে বেড়েছে সাইবার বুলিং: উদ্বেগে নাগরিক সমাজ

Update Time : 05:21:09 pm, Wednesday, 30 April 2025

বাংলাদেশে ‘জুলাই বিপ্লব’–পরবর্তী সময় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আন্দোলন-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনা, মতবিরোধ এবং বিভাজনমুখী বক্তব্যের কারণে ফেসবুক, টিকটক ও এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমানসূচক ভাষা ও হুমকির ঘটনায় ব্যাপকভাবে গুজব সহ অপমান অপদস্ত করা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক মতের পার্থক্য বা সমালোচনার নামে যেভাবে ব্যক্তি, বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু, ভিন্নমতাবলম্বী এবং আন্দোলনকর্মীদের লক্ষ্য করে ট্রল, গুজব ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হচ্ছে, তা উদ্বেগজনক।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতার ঘাটতি থাকায় এই ধারা ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। অনেক ভুক্তভোগী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, কেউ কেউ আইনি প্রতিকার চেয়েও পাচ্ছেন না।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ‘জুলাই বিপ্লব’ ছিল একটি রাজনৈতিক জাগরণের নাম। কিন্তু সেই জাগরণকে দমন করতে যারা ভয়ভীতির হাতিয়ার হিসেবে সাইবার হামলা বেছে নিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

নাগরিক সমাজ সরকারের কাছে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।

প্রিন্ট করুন :