ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

এশিয়ায় বেড়েছে রুশ জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি

তাপপ্রবাহের কারণে এশিয়ায় রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মূল্য ছাড়ের কারণে এশিয়া রাশিয়ার কয়লা ও জ্বালানি তেলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। রাশিয়া ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ চলতি বছর একটি মাইলফলক অর্জনের পথে রয়েছে।
মস্কোর পূর্বাভাস, ২০২৩ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ২০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে।
পুরো এশিয়ায় চলছে তীব্র তাপদাহ। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখতে বেড়েছে জ্বালানির উৎপাদন ও ব্যবহার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া গত কয়েক সপ্তাহে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি বাড়িয়েছে। শুধুমাত্র এপ্রিলেই মস্কো থেকে ৭.৪ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানি করা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেশি। এশিয়া গত দুই মাসে পাওয়ার গ্রিডে ব্যবহারের জন্য রেকর্ড জ্বালানি তেল আমদানি করেছে।
এপ্রিলে রাশিয়ার বৃহত্তম জ্বালানি ক্রেতা দেশ ছিলো ভারত ও চীন। দেশটির মোট রফতানির দুই তৃতীয়াংশ কয়লাই গেছে এশিয়ায়।
যদিও মূল্যছাড়ের কারণে গত বছর থেকেই রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি বাড়িয়েছে এশিয়া। রাশিয়ার কয়লার উল্লেখযোগ্য ক্রেতাদেশ দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া আর শ্রীলঙ্কাও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে আরও বাড়বে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতির চেয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করার চেয়ে রাশিয়ার ছাড় গ্রহণ করা তাদের পক্ষে অনেক সহজ।
এদিকে, চলতি বছরই রেকর্ড ছাড়াবে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়ার সরকার বলছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েছে ৫ হাজার ২০০ মিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালে, এটি ১৮ হাজার ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে, তবে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই সংখ্যা ২০ হাজার বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার পরও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ছে চীনের। রাশিয়ার জ্বালানি তেলের বড় ক্রেতা দেশ চীন। মূল্যছাড়ে আরও চাঙ্গা হয়েছে দুই দেশের বাণিজ্য।
সমুদ্রপথে চীনে রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি রফতানি রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

এশিয়ায় বেড়েছে রুশ জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি

Update Time : ০৮:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩

তাপপ্রবাহের কারণে এশিয়ায় রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মূল্য ছাড়ের কারণে এশিয়া রাশিয়ার কয়লা ও জ্বালানি তেলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। রাশিয়া ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ চলতি বছর একটি মাইলফলক অর্জনের পথে রয়েছে।
মস্কোর পূর্বাভাস, ২০২৩ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ২০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে।
পুরো এশিয়ায় চলছে তীব্র তাপদাহ। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখতে বেড়েছে জ্বালানির উৎপাদন ও ব্যবহার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া গত কয়েক সপ্তাহে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি বাড়িয়েছে। শুধুমাত্র এপ্রিলেই মস্কো থেকে ৭.৪ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানি করা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেশি। এশিয়া গত দুই মাসে পাওয়ার গ্রিডে ব্যবহারের জন্য রেকর্ড জ্বালানি তেল আমদানি করেছে।
এপ্রিলে রাশিয়ার বৃহত্তম জ্বালানি ক্রেতা দেশ ছিলো ভারত ও চীন। দেশটির মোট রফতানির দুই তৃতীয়াংশ কয়লাই গেছে এশিয়ায়।
যদিও মূল্যছাড়ের কারণে গত বছর থেকেই রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি বাড়িয়েছে এশিয়া। রাশিয়ার কয়লার উল্লেখযোগ্য ক্রেতাদেশ দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া আর শ্রীলঙ্কাও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই অঞ্চলে আরও বাড়বে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতির চেয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করার চেয়ে রাশিয়ার ছাড় গ্রহণ করা তাদের পক্ষে অনেক সহজ।
এদিকে, চলতি বছরই রেকর্ড ছাড়াবে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়ার সরকার বলছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েছে ৫ হাজার ২০০ মিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালে, এটি ১৮ হাজার ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে, তবে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই সংখ্যা ২০ হাজার বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার পরও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ছে চীনের। রাশিয়ার জ্বালানি তেলের বড় ক্রেতা দেশ চীন। মূল্যছাড়ে আরও চাঙ্গা হয়েছে দুই দেশের বাণিজ্য।
সমুদ্রপথে চীনে রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি রফতানি রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

প্রিন্ট করুন :