ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‘বাবা কোথায়?’—জুলাই শহীদের মেয়ের প্রশ্ন, স্ত্রী চান বিচার ও চাকরি শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান, এসকাফ সিরাপসহ আটক-১ তরুণীদের এনে পর্নো ভিডিও, স্বামী-স্ত্রী, দুই ছেলে-সহ গ্রেফতার ৫ শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের পটুয়াখালীতে সৌদি খেজুরবাগানের ফলনধরা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলামের দুমকিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত ১৬

তুরস্কে জমেছে প্রায় ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ,ধ্বংসস্তূপ সরাতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে তুর্কি সরকারে

ভূমিকম্পের তিন সপ্তাহ কেটে গেছে। এখন পালা ধ্বংসস্তূপ সরানোর। তবে কয়েক লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তুর্কি সরকার। ইউএনডিপি বলছে, ভূমিকম্প এবং এর আফটারশকের কারণে ১১৬ থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে, যা প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। আর এত সংখ্যক ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়েই ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোগান সরকার। খবর এনডিটিভির।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্ক। এরপর থেকে কয়েক হাজার আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সেসব ছোট-মাঝারি আকারের কম্পনের ফলেও নতুন করে ধসে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। তুর্কি সরকারের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের ফলে ১ লাখ ৫৬ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে ধসে কংক্রিটের স্তূপে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে আরও অনেক স্থাপনা। এসব স্থাপনাও সরকারের উদ্যোগে ভেঙে ফেলা হবে। ফলে যে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে তা সরানোর মতো সক্ষমতা সরকারের নেই।
শুধুমাত্র হাতয় প্রদেশেই ২০০টি ফুটবল মাঠের সমান ১৯টি পৃথক জায়গায় ফেলা হচ্ছে এসব ধ্বংসস্তূপ। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন ১ লাখ ৫০ হাজার কিউবিক মিটার ধ্বংসাবশেষ সেখানে জমা রাখা হচ্ছে। তবে এ বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কী, তা এখনও জানে না সরকার।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দেশটির পুরনো ভবনগুলোর উপাদানে অ্যাসবেস্টস থাকতে পারে, যা ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই উপাদান অনেক দেশের মতো তুরস্কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এখন সে উপাদান বাতাসে মিশে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ঝুঁকি রোধ করার মতোও কোনো ব্যবস্থা নেয়ার মতো অবস্থায় নেই সরকার। ফলে এই ভূমিম্পের প্রভাব দেশটিতে ধারণার চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

‘বাবা কোথায়?’—জুলাই শহীদের মেয়ের প্রশ্ন, স্ত্রী চান বিচার ও চাকরি

তুরস্কে জমেছে প্রায় ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ,ধ্বংসস্তূপ সরাতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে তুর্কি সরকারে

Update Time : ০৮:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

ভূমিকম্পের তিন সপ্তাহ কেটে গেছে। এখন পালা ধ্বংসস্তূপ সরানোর। তবে কয়েক লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তুর্কি সরকার। ইউএনডিপি বলছে, ভূমিকম্প এবং এর আফটারশকের কারণে ১১৬ থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে, যা প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। আর এত সংখ্যক ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়েই ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোগান সরকার। খবর এনডিটিভির।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্ক। এরপর থেকে কয়েক হাজার আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সেসব ছোট-মাঝারি আকারের কম্পনের ফলেও নতুন করে ধসে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। তুর্কি সরকারের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের ফলে ১ লাখ ৫৬ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে ধসে কংক্রিটের স্তূপে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে আরও অনেক স্থাপনা। এসব স্থাপনাও সরকারের উদ্যোগে ভেঙে ফেলা হবে। ফলে যে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে তা সরানোর মতো সক্ষমতা সরকারের নেই।
শুধুমাত্র হাতয় প্রদেশেই ২০০টি ফুটবল মাঠের সমান ১৯টি পৃথক জায়গায় ফেলা হচ্ছে এসব ধ্বংসস্তূপ। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন ১ লাখ ৫০ হাজার কিউবিক মিটার ধ্বংসাবশেষ সেখানে জমা রাখা হচ্ছে। তবে এ বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কী, তা এখনও জানে না সরকার।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দেশটির পুরনো ভবনগুলোর উপাদানে অ্যাসবেস্টস থাকতে পারে, যা ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই উপাদান অনেক দেশের মতো তুরস্কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এখন সে উপাদান বাতাসে মিশে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ঝুঁকি রোধ করার মতোও কোনো ব্যবস্থা নেয়ার মতো অবস্থায় নেই সরকার। ফলে এই ভূমিম্পের প্রভাব দেশটিতে ধারণার চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

প্রিন্ট করুন :