ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪

তুরস্কে জমেছে প্রায় ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ,ধ্বংসস্তূপ সরাতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে তুর্কি সরকারে

ভূমিকম্পের তিন সপ্তাহ কেটে গেছে। এখন পালা ধ্বংসস্তূপ সরানোর। তবে কয়েক লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তুর্কি সরকার। ইউএনডিপি বলছে, ভূমিকম্প এবং এর আফটারশকের কারণে ১১৬ থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে, যা প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। আর এত সংখ্যক ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়েই ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোগান সরকার। খবর এনডিটিভির।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্ক। এরপর থেকে কয়েক হাজার আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সেসব ছোট-মাঝারি আকারের কম্পনের ফলেও নতুন করে ধসে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। তুর্কি সরকারের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের ফলে ১ লাখ ৫৬ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে ধসে কংক্রিটের স্তূপে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে আরও অনেক স্থাপনা। এসব স্থাপনাও সরকারের উদ্যোগে ভেঙে ফেলা হবে। ফলে যে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে তা সরানোর মতো সক্ষমতা সরকারের নেই।
শুধুমাত্র হাতয় প্রদেশেই ২০০টি ফুটবল মাঠের সমান ১৯টি পৃথক জায়গায় ফেলা হচ্ছে এসব ধ্বংসস্তূপ। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন ১ লাখ ৫০ হাজার কিউবিক মিটার ধ্বংসাবশেষ সেখানে জমা রাখা হচ্ছে। তবে এ বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কী, তা এখনও জানে না সরকার।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দেশটির পুরনো ভবনগুলোর উপাদানে অ্যাসবেস্টস থাকতে পারে, যা ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই উপাদান অনেক দেশের মতো তুরস্কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এখন সে উপাদান বাতাসে মিশে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ঝুঁকি রোধ করার মতোও কোনো ব্যবস্থা নেয়ার মতো অবস্থায় নেই সরকার। ফলে এই ভূমিম্পের প্রভাব দেশটিতে ধারণার চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

তুরস্কে জমেছে প্রায় ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ,ধ্বংসস্তূপ সরাতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে তুর্কি সরকারে

Update Time : ০৮:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

ভূমিকম্পের তিন সপ্তাহ কেটে গেছে। এখন পালা ধ্বংসস্তূপ সরানোর। তবে কয়েক লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তুর্কি সরকার। ইউএনডিপি বলছে, ভূমিকম্প এবং এর আফটারশকের কারণে ১১৬ থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে, যা প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। আর এত সংখ্যক ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়েই ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোগান সরকার। খবর এনডিটিভির।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্ক। এরপর থেকে কয়েক হাজার আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সেসব ছোট-মাঝারি আকারের কম্পনের ফলেও নতুন করে ধসে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। তুর্কি সরকারের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের ফলে ১ লাখ ৫৬ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে ধসে কংক্রিটের স্তূপে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে আরও অনেক স্থাপনা। এসব স্থাপনাও সরকারের উদ্যোগে ভেঙে ফেলা হবে। ফলে যে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে তা সরানোর মতো সক্ষমতা সরকারের নেই।
শুধুমাত্র হাতয় প্রদেশেই ২০০টি ফুটবল মাঠের সমান ১৯টি পৃথক জায়গায় ফেলা হচ্ছে এসব ধ্বংসস্তূপ। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন ১ লাখ ৫০ হাজার কিউবিক মিটার ধ্বংসাবশেষ সেখানে জমা রাখা হচ্ছে। তবে এ বিশাল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কী, তা এখনও জানে না সরকার।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দেশটির পুরনো ভবনগুলোর উপাদানে অ্যাসবেস্টস থাকতে পারে, যা ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই উপাদান অনেক দেশের মতো তুরস্কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এখন সে উপাদান বাতাসে মিশে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ঝুঁকি রোধ করার মতোও কোনো ব্যবস্থা নেয়ার মতো অবস্থায় নেই সরকার। ফলে এই ভূমিম্পের প্রভাব দেশটিতে ধারণার চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

প্রিন্ট করুন :