ডেস্ক রিপোর্ট ||
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় বেওয়ারিশ একটি কুকুরের কামড়ে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। ঘটনায় উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল থেকে কুকুরটি দিগ্বিদিক ঘুরে পথচারী ও বাড়ির আশপাশে থাকা মানুষদের ওপর হামলা চালায়। আকস্মিক ও আক্রমণাত্মক আচরণে অনেকেই পালাতে না পেরে কামড়ের শিকার হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. এনামুল হক বলেন, ‘হঠাৎ করেই সকাল থেকে কুকুরে কামড়ানো রোগী আসতে শুরু করে। রোগীর চাপ ছিল বেশি। আমাদের এখানে ভ্যাকসিন না থাকায় বেশির ভাগ রোগীকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।’
কুকুরটির হামলার খবরে এলাকায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেক অভিভাবক শিশুদের ঘর থেকে বের হতে দেননি। স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরে কুকুরটিকে আটক করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেটিকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, ‘ঘটনা জানার পর আমি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। বেওয়ারিশ কুকুরটি আটক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে কুকুরটি মারা গেলেও আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জলাতঙ্কের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দ্রুত সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 



















