মোঃ মামুন হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি||
“মা ইলিশ রক্ষা মানেই আগামীর প্রজন্মের নিরাপত্তা”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কড়া অবস্থানে প্রশাসন। ভোলার চরফ্যাশনে চলছে টানা অভিযান। সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ নদীতে নামলে পড়তে হবে আইনের ফাঁদে।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। চলবে আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীসহ উপকূলের সাগর এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শনিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দিনভর অভিযান চালান চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমদাদুল হোসেন ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু। মাঠে ছিলেন নৌবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরাও।
অভিযান ঘুরে পৌঁছায় বেতুয়া, নতুন স্লুইসগেট, সামরাজ, মাইনউদ্দিন ঘাট, খেজুরগাছিয়া, পাঁচকপাট ও আটকপাট মৎস্যঘাটে। সেখানে ১৮টি বরফ কল সিলগালা করা হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, “নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। কোনো অসাধু জেলে বা ট্রলার নদীতে নামতে পারবে না। নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই ২২ দিনের কঠোর অভিযানের লক্ষ্য—মা ইলিশ যেন নিশ্চিন্তে ডিম ছাড়তে পারে, যাতে আগামী মৌসুমে নদী ভরে ওঠে ইলিশে।”
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















