ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

যশোর শিক্ষা বোর্ড : এইচএসসিতে শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজকে শোকজ

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজকে শোকজ করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ১৬ অক্টোবর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের সময় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.আব্দুল মতিন জানান-বোর্ডের আওতাধীন ৫৭৫টি কলেজের মধ্যে ২০ কলেজের পরীক্ষার্থী শতভাগ ফেল করে। এ কারনে পাসের হার কমে যায়। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে এসব কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সূত্র আরো জানায়- মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ পরীক্ষার্থী, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মডেল কলেজে ১ পরীক্ষার্থী, খুলনা সদরের হোম ইকোনমিক্স কলেজে ১ পরীক্ষার্থী, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ পরীক্ষার্থী, তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
মাগুরা সদরের বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজে ৮ পরীক্ষার্থী, মাগুরা সদরের রাওতারা এইচ এন সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার্থী, মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস কলেজে ৯ পরীক্ষার্থী, মোহাম্মদপুর উপজেলার বিরেন সিকদার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১১ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সিংজোর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরা সদরের ইসলামিয়া মহিলা কলেজে থেকে ৯ পরীক্ষার্থী, সাতক্ষীরা সদরের আখড়াখোলা আদর্শ কলেজে ৯ পরীক্ষার্থী, সাতক্ষীরা কমার্স কলেজে ২ পরীক্ষার্থী, পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭ পরীক্ষার্থী, চৌগাছা উপজেলার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ পরীক্ষার্থী, অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ থেকে ৭ পরীক্ষার্থী, কেশবপুর উপজেলার বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
কুষ্টিয়া সদরের আলহাজ আব্দুল গণি কলেজ থেকে ৪ পরীক্ষার্থী, ঝিনাইদহ সদরের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ পরীক্ষার্থী ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাকরাইল করিম খালেক সুলাইমান ইনস্টিটিউট থেকে ৩৫ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) নিয়ামত এলাহী জানান, শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজের অধ্যক্ষকে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে শোকজ করা হয়েছে। কি কারণে পরীক্ষার্থীরা শতভাগ ফেল করেছে তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষরা শোকজের জবাব দেয়ার পর কলেজের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত হবে। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে এসব কলেজের একাডেমী স্বীকৃতি স্থগিত হওয়াসহ বাতিল হতে পারে। এমনকি স্থগিত করা হতে পারে পাঠদানের অনুমতি । ভবিষ্যতে কলেজগুলো এধরনের ফলাফল না হয় এজন্য বিভিন্ন জেলার কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে সেমিনার করা হচ্ছে।
তবে শোকজের বিষয় জানতে চাইলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.আব্দুল মতিন বিষয়টি এড়িয়ে যান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

যশোর শিক্ষা বোর্ড : এইচএসসিতে শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজকে শোকজ

Update Time : ১০:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজকে শোকজ করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ১৬ অক্টোবর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের সময় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.আব্দুল মতিন জানান-বোর্ডের আওতাধীন ৫৭৫টি কলেজের মধ্যে ২০ কলেজের পরীক্ষার্থী শতভাগ ফেল করে। এ কারনে পাসের হার কমে যায়। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে এসব কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সূত্র আরো জানায়- মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ পরীক্ষার্থী, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মডেল কলেজে ১ পরীক্ষার্থী, খুলনা সদরের হোম ইকোনমিক্স কলেজে ১ পরীক্ষার্থী, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ পরীক্ষার্থী, তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
মাগুরা সদরের বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজে ৮ পরীক্ষার্থী, মাগুরা সদরের রাওতারা এইচ এন সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার্থী, মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস কলেজে ৯ পরীক্ষার্থী, মোহাম্মদপুর উপজেলার বিরেন সিকদার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১১ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সিংজোর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরা সদরের ইসলামিয়া মহিলা কলেজে থেকে ৯ পরীক্ষার্থী, সাতক্ষীরা সদরের আখড়াখোলা আদর্শ কলেজে ৯ পরীক্ষার্থী, সাতক্ষীরা কমার্স কলেজে ২ পরীক্ষার্থী, পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭ পরীক্ষার্থী, চৌগাছা উপজেলার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ পরীক্ষার্থী, অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ থেকে ৭ পরীক্ষার্থী, কেশবপুর উপজেলার বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
কুষ্টিয়া সদরের আলহাজ আব্দুল গণি কলেজ থেকে ৪ পরীক্ষার্থী, ঝিনাইদহ সদরের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ পরীক্ষার্থী ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাকরাইল করিম খালেক সুলাইমান ইনস্টিটিউট থেকে ৩৫ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে।
উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) নিয়ামত এলাহী জানান, শতভাগ ফেল করা ২০ কলেজের অধ্যক্ষকে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে শোকজ করা হয়েছে। কি কারণে পরীক্ষার্থীরা শতভাগ ফেল করেছে তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষরা শোকজের জবাব দেয়ার পর কলেজের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত হবে। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে এসব কলেজের একাডেমী স্বীকৃতি স্থগিত হওয়াসহ বাতিল হতে পারে। এমনকি স্থগিত করা হতে পারে পাঠদানের অনুমতি । ভবিষ্যতে কলেজগুলো এধরনের ফলাফল না হয় এজন্য বিভিন্ন জেলার কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে সেমিনার করা হচ্ছে।
তবে শোকজের বিষয় জানতে চাইলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.আব্দুল মতিন বিষয়টি এড়িয়ে যান।

প্রিন্ট করুন :