ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪

দুমকীতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ‘ধর্ষণ নাটক’, জেলে গেলেন বাদী কহিনুর

নিজস্ব প্রতিবেদক||

প্রতিবন্ধী মেয়েকে ভিকটিম সাজিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সহযোগিতার অভিযোগ আনেন এক নারী। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবার সেই মামলার বাদীকেই পাঠানো হল কারাগারে।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলায়। অভিযুক্ত মোসা. কোহিনুর বেগম (৪৬), মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। রবিবার (২২ জুন) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন মোক্তার হোসেন মৃধা ও সহযোগী মেহেদী হাসান রাসেল হাওলাদারকে আসামি করে। মামলার অভিযোগ ছিল, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঘরে একা পেয়ে কোহিনুরের প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

তবে তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি। মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হলে আদালত ওই দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। এরপর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগে রাসেল হাওলাদার কোহিনুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে রবিবার তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, মেয়েরা—জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম ও স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত পুরনো বিরোধের জেরে ও স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে পক্ষ না করায় একটি দুষ্ট চক্রের ইন্ধনে রাসেল হাওলাদার ও তাঁর পরিবারকে ফাঁসাতে এ মামলা করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দুমকীতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ‘ধর্ষণ নাটক’, জেলে গেলেন বাদী কহিনুর

Update Time : ০৯:২৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক||

প্রতিবন্ধী মেয়েকে ভিকটিম সাজিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সহযোগিতার অভিযোগ আনেন এক নারী। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবার সেই মামলার বাদীকেই পাঠানো হল কারাগারে।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলায়। অভিযুক্ত মোসা. কোহিনুর বেগম (৪৬), মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। রবিবার (২২ জুন) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন মোক্তার হোসেন মৃধা ও সহযোগী মেহেদী হাসান রাসেল হাওলাদারকে আসামি করে। মামলার অভিযোগ ছিল, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঘরে একা পেয়ে কোহিনুরের প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

তবে তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি। মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হলে আদালত ওই দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। এরপর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগে রাসেল হাওলাদার কোহিনুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে রবিবার তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, মেয়েরা—জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম ও স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত পুরনো বিরোধের জেরে ও স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে পক্ষ না করায় একটি দুষ্ট চক্রের ইন্ধনে রাসেল হাওলাদার ও তাঁর পরিবারকে ফাঁসাতে এ মামলা করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

প্রিন্ট করুন :