লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধিঃ
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় যুবদল কর্মী সালমান খন্দকার (২৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মশিয়ার মোল্যা (৪০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত রোববার (১১ মে) রাতে লোহাগড়া থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত সালমানের ছোট ভাই খন্দকার নাহিদ হাসান। মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া মশিয়ার মোল্যা উপজেলার শামুকখোলা গ্রামের মান্নান মোল্যার ছেলে। আর নিহত সালমান খন্দকার একই গ্রামের খাজা খন্দকারের ছেলে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, মামলা হওয়ার পরই অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১২ মে) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে সালমান ও তার বন্ধুরা রামকান্তপুর এলাকায় মধুমতি নদীর পাড়ে পিকনিকে যান। পিকনিকে যাওয়ার আগে সন্ধ্যায় সালমান তাঁর মাকে জানান, রাতে বাইরে খাওয়ার পরিকল্পনা আছে। কিন্তু রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন তাঁকে ফোন করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
পরদিন শুক্রবার সকালে উপজেলার কাউলিডাঙ্গা বিল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সালমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পরিকল্পিতভাবে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ড ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 


























