শেখ বাদশা, বাগেরহাট প্রতিনিধি||
“কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে”—এই কথা শুধু স্লোগানে নয়, এবার বাস্তবেও যেন ছুঁয়ে গেল বাগেরহাটের কচুয়ার আন্দারমানিক গ্রামের কৃষকদের হৃদয়।
তীব্র গরম, মাথার ওপর চড়া রোদ। মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা, ঘামে ভিজে যাচ্ছে গা। ঠিক তখনই সেখানে হাজির ছাত্রদলের একঝাঁক তরুণ। কারও হাতে পানি, কেউবা নিয়ে এসেছে স্যালাইন, আবার কেউ গেঞ্জি আর ক্যাপ দিচ্ছেন কৃষকদের হাতে।
জিজ্ঞেস করলে জানালেন—তারা এসেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে। শুধু পানি আর গেঞ্জি নয়, সঙ্গে এনেছেন তারেক রহমানের বার্তা আর বিএনপির কৃষিভিত্তিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও।
জেলা ছাত্রদল নেতা শেখ আল মামুন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষকদের জন্য যে বিপ্লব শুরু করেছিলেন, তারেক রহমান সেই পথেই হাঁটছেন। সারের দাম কমানো, কৃষক বীমা চালু, ফারমার্স কার্ড, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা—সবই থাকবে বিএনপির কৃষি নীতিতে।”
আল ইমরান জানালেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দিতে তারা কাজ করছেন, যেন প্রান্তিক কৃষকরাও বুঝতে পারেন তাদের গুরুত্ব কোথায়।
কৃষক রউফ বললেন, “ছাত্রদলের ছেলেরা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, আমরা খুশি। যদি তারেক রহমান সত্যিই এসব করেন, আমরা অবশ্যই ধানের শীষে ভোট দেব।”
আরেক কৃষক সালাম হাসতে হাসতে বললেন, “এই গরমে কেউ তো খোঁজ নেয় না, ছাত্রদলের ছেলেরা এসে পানি, গেঞ্জি, খাবার দিল—আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।”
এদিন মাঠে ছিলেন শেখ আল মামুন, আল ইমরান, ওয়ালিদ হোসাইন, শামিম মুন্সি, জসিম মিনা, রোহিত হালদার, মুরাদ শেখ, রিজভী, ইমন শেখ, কাইফ সরদার, রবি মুন্সি, কাজী তাসকিন, মো. সাগর, শান্ত ইসলাম ও সিয়াম শিকদারসহ আরও অনেকে।
রাজনীতি হোক মানবিক, কৃষকের পাশে থাকাই হোক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল কথা—এই বার্তা যেন আজকের মাঠের গরম বাতাসে ছড়িয়ে গেলো আন্দারমানিকের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 


























