ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪

দেশের স্বাধীনতা বিরোধীরাই বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই বলে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তানই ভাল ছিল।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী, অর্থনীতিবিদ, বড় বড় নেতারা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে, তারা এখন বাংলাদেশ হতে চায়। আর বাংলাদেশে বিএনপি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, কিছু বুদ্ধিজীবী ও কিছু মিডিয়া বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, স্বাধীন বাংলাদেশ করে লাভ হয় নাই। এরা দেশের শত্রু, পাকিস্তানের দালাল।
ড. আব্দুর রাজ্জাক আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত রমযান মাস উপলক্ষে গরীব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের যে পর্যায়ে এখন আছে, সে পর্যায়ে আসতে পাকিস্তানের আরও ১২ বছর লাগবে। কাজেই, যারা বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা পাকিস্তানের পত্রিকা পড়ুন, খোঁজখবর নিন। পাকিস্তানে এখন একটি ডিমের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, এক ডলার সমান ২৫০ রুপি। পাকিস্তানে কত মানুষ না খেয়ে থাকে তার খোঁজ নিন।
তিনি বলেন, বিএনপির আমলে ২০০১ থেকে ৬ সালে মঙ্গাপীড়িত এলাকায় প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে থাকত, শত-শত মানুষ না খেয়ে মারা যেতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে বিগত ১৪ বছরে বাংলাদেশে একটি মানুষও না খেয়ে থাকে নি, খাদ্যের কষ্ট করে নি।
নির্বাচন ও ইভিএম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন কী বলবে বিএনপি? আমি মনে করি, তারা এ সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাতে পারতেন। আমি বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা ভুলপথে আছেন। আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও আর মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। আপনাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, স্বৈরাচার এরশাদ সামরিক ছত্রচ্ছায়ায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। আপনারা নির্বাচন ছাড়া কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দায়িত্ব তাদের। কমিশনের নিকট আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। সেটি ব্যালটে, ইভিএমে বা যেভাবেই হোক আমাদের আপত্তি নেই। আমরা স্বচ্ছ, সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় যেতে চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়, সেটিও আমরা মেনে নেব।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রস্তুত থাকুন। যে কোন ধরনের সন্ত্রাস, বর্বরতা ও পৈশাচিকতাকে রুখে দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দেশের স্বাধীনতা বিরোধীরাই বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল : কৃষিমন্ত্রী

Update Time : ০৬:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই বলে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তানই ভাল ছিল।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী, অর্থনীতিবিদ, বড় বড় নেতারা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে, তারা এখন বাংলাদেশ হতে চায়। আর বাংলাদেশে বিএনপি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, কিছু বুদ্ধিজীবী ও কিছু মিডিয়া বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, স্বাধীন বাংলাদেশ করে লাভ হয় নাই। এরা দেশের শত্রু, পাকিস্তানের দালাল।
ড. আব্দুর রাজ্জাক আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত রমযান মাস উপলক্ষে গরীব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের যে পর্যায়ে এখন আছে, সে পর্যায়ে আসতে পাকিস্তানের আরও ১২ বছর লাগবে। কাজেই, যারা বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা পাকিস্তানের পত্রিকা পড়ুন, খোঁজখবর নিন। পাকিস্তানে এখন একটি ডিমের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, এক ডলার সমান ২৫০ রুপি। পাকিস্তানে কত মানুষ না খেয়ে থাকে তার খোঁজ নিন।
তিনি বলেন, বিএনপির আমলে ২০০১ থেকে ৬ সালে মঙ্গাপীড়িত এলাকায় প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে থাকত, শত-শত মানুষ না খেয়ে মারা যেতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে বিগত ১৪ বছরে বাংলাদেশে একটি মানুষও না খেয়ে থাকে নি, খাদ্যের কষ্ট করে নি।
নির্বাচন ও ইভিএম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন কী বলবে বিএনপি? আমি মনে করি, তারা এ সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাতে পারতেন। আমি বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা ভুলপথে আছেন। আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও আর মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। আপনাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, স্বৈরাচার এরশাদ সামরিক ছত্রচ্ছায়ায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। আপনারা নির্বাচন ছাড়া কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দায়িত্ব তাদের। কমিশনের নিকট আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। সেটি ব্যালটে, ইভিএমে বা যেভাবেই হোক আমাদের আপত্তি নেই। আমরা স্বচ্ছ, সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় যেতে চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়, সেটিও আমরা মেনে নেব।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রস্তুত থাকুন। যে কোন ধরনের সন্ত্রাস, বর্বরতা ও পৈশাচিকতাকে রুখে দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রিন্ট করুন :