ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবেঃ ডিজি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেছেন, সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে ৬৫ হাজার সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি ৫ হাজার সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ব্র্যাকেট তুলে দিয়ে আরও ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

গত শনিবার রংপুরের মিঠাপুকুরে অনুষ্ঠিত শিক্ষার মানোন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিজি এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যদি ছেলেমেয়েদের নিজ স্কুলে না পড়ান, তাহলে অন্যরা কেন আপনার স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়াবেন?’

উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ আয়োজিত আলোচনা সভায় ডিজি শামসুজ্জামান আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ শতাংশ শিশু বাংলা পড়তে পারে না। ৩৪ শতাংশ শিশু যুক্তবর্ণ দিয়ে গঠিত শব্দ পড়তে পারে না। বিশ্বব্যাংকের জরিপের এমন তথ্য যাচাই করতে আমরাও জরিপ করেছি। আমাদের জরিপেও বিশ্বব্যাংকের কাছাকাছি প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ তিনি বলেন, ‘এটা লজ্জার বিষয়। শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হলে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করতে হবে। লেখাপড়ায় দুর্বল শিশুদের চিহ্নিত করে বিশেষ কেয়ার নিতে হবে। এরপরও যদি শিশুদের উন্নতি করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আপনাদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে ঢাকায় তদবির করতে যান, কিন্তু কেউই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা বলেন না। তাঁরা জেলা শহরে বদলির জন্য তদবির করেন। কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘‘ছেলেমেয়েরা প্রাইভেট স্কুলে লেখাপড়া করছে, তাই সেখানে থাকা প্রয়োজন।’’ এই হলো আমাদের অবস্থা।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক কামরুল হাসান এনডিসি, উপপরিচালক জয়নাল আবেদীন, রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক আজিজুর রহমান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় ২৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবেঃ ডিজি

Update Time : ০৭:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেছেন, সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে ৬৫ হাজার সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি ৫ হাজার সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ব্র্যাকেট তুলে দিয়ে আরও ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

গত শনিবার রংপুরের মিঠাপুকুরে অনুষ্ঠিত শিক্ষার মানোন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিজি এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যদি ছেলেমেয়েদের নিজ স্কুলে না পড়ান, তাহলে অন্যরা কেন আপনার স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়াবেন?’

উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ আয়োজিত আলোচনা সভায় ডিজি শামসুজ্জামান আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ শতাংশ শিশু বাংলা পড়তে পারে না। ৩৪ শতাংশ শিশু যুক্তবর্ণ দিয়ে গঠিত শব্দ পড়তে পারে না। বিশ্বব্যাংকের জরিপের এমন তথ্য যাচাই করতে আমরাও জরিপ করেছি। আমাদের জরিপেও বিশ্বব্যাংকের কাছাকাছি প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ তিনি বলেন, ‘এটা লজ্জার বিষয়। শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হলে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করতে হবে। লেখাপড়ায় দুর্বল শিশুদের চিহ্নিত করে বিশেষ কেয়ার নিতে হবে। এরপরও যদি শিশুদের উন্নতি করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আপনাদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে ঢাকায় তদবির করতে যান, কিন্তু কেউই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা বলেন না। তাঁরা জেলা শহরে বদলির জন্য তদবির করেন। কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘‘ছেলেমেয়েরা প্রাইভেট স্কুলে লেখাপড়া করছে, তাই সেখানে থাকা প্রয়োজন।’’ এই হলো আমাদের অবস্থা।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক কামরুল হাসান এনডিসি, উপপরিচালক জয়নাল আবেদীন, রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক আজিজুর রহমান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় ২৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট করুন :