ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

ধুনটে প্রতিহিংসায় সেচ বন্ধ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার

ধুনট উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন ও বেলাল শেখের বিরুদ্ধে একই গ্রামের বাসিন্দা রহমতুল্লার ছেলে এমদাদুল হক বাবু এবং মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে সুলতান মাহমুদ ও স্বপনের প্রায় ৪৮ শতাংশ বোরো ধান ক্ষেতে সেচ না দেবার অভিযোগ উঠেছে।

৯ই মার্চ (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে বোরো ধানক্ষেতে সেচ না দেয়ায় পুরো জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে ধানক্ষেত, এতে নষ্ট হবার পথে কৃষকদের পুরো জমির ফসল। চারা ধান রক্ষায় আর কোন উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগী কৃষক এমদাদুল হক বাবু ও সুলতান মাহমুদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত ও কৃষি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, প্রতিহিংসার বসবতি হয়ে শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য ফজলুল হক সম্রাট ও আবু হাসেম মন্টুর নির্দেশে সেচ বন্ধ রেখেছে তার ভাই পাম্প মালিক হেলাল উদ্দিন ও বেলাল শেখ। সেচ বন্ধের বিষয়টি মৌখিক ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানানো হলেও সুফল পায়নি কৃষক পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের কবরস্থান ও শেহুলিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে ইউপি সদস্য ফজলুল হক সম্রাটের পরিবার ও প্রভাষক আলী হাসানের পরিবারের সাথে মতবিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধীতার সূত্র ধরেই সেচ বন্ধ হতে পারে বলে মনে করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, কৃষক দ্বয়ের অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে খতিয়ে দেখার জন্য ধুনট থানা অফিসার ইনচার্জকে বলা হয়েছে। তবে খাদ্য উৎপাদন ব্যহত করা এবং সেচ বন্ধ রাখা বিষয়টি নিন্দনীয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

ধুনটে প্রতিহিংসায় সেচ বন্ধ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার

Update Time : ০২:৫০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

ধুনট উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন ও বেলাল শেখের বিরুদ্ধে একই গ্রামের বাসিন্দা রহমতুল্লার ছেলে এমদাদুল হক বাবু এবং মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে সুলতান মাহমুদ ও স্বপনের প্রায় ৪৮ শতাংশ বোরো ধান ক্ষেতে সেচ না দেবার অভিযোগ উঠেছে।

৯ই মার্চ (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে বোরো ধানক্ষেতে সেচ না দেয়ায় পুরো জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে ধানক্ষেত, এতে নষ্ট হবার পথে কৃষকদের পুরো জমির ফসল। চারা ধান রক্ষায় আর কোন উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগী কৃষক এমদাদুল হক বাবু ও সুলতান মাহমুদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত ও কৃষি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, প্রতিহিংসার বসবতি হয়ে শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য ফজলুল হক সম্রাট ও আবু হাসেম মন্টুর নির্দেশে সেচ বন্ধ রেখেছে তার ভাই পাম্প মালিক হেলাল উদ্দিন ও বেলাল শেখ। সেচ বন্ধের বিষয়টি মৌখিক ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানানো হলেও সুফল পায়নি কৃষক পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামের কবরস্থান ও শেহুলিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে ইউপি সদস্য ফজলুল হক সম্রাটের পরিবার ও প্রভাষক আলী হাসানের পরিবারের সাথে মতবিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধীতার সূত্র ধরেই সেচ বন্ধ হতে পারে বলে মনে করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, কৃষক দ্বয়ের অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে খতিয়ে দেখার জন্য ধুনট থানা অফিসার ইনচার্জকে বলা হয়েছে। তবে খাদ্য উৎপাদন ব্যহত করা এবং সেচ বন্ধ রাখা বিষয়টি নিন্দনীয়।

প্রিন্ট করুন :