নিজস্ব প্রতিবেদক ||
বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ক্ষুব্ধ শিক্ষক সমাজ। একদিকে মন্ত্রণালয়ের ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, অন্যদিকে শিক্ষকদের ন্যূনতম ১০ শতাংশের দাবি— মাঝখানে জটিলতায় পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ অবস্থায় শিক্ষা উপদেষ্টার মন্তব্য যেন আগুনে ঘি ঢালারই সমান।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, “সমাধান যদি আমাদের হাতে থাকতো, অবশ্যই করতাম। তাদেরকে বলেছি, আসুন আমরা আলাপ করি।”
তার এই মন্তব্যে আন্দোলনরত শিক্ষক মহলে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন— “যদি সরকারের হাতেই সমাধান না থাকে, তবে আলোচনার ফল কী?”
উপদেষ্টার বক্তব্যের পর শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন জানান, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ চলছে। তিনি বলেন, “৫০০ টাকা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন হওয়ার আগেই শতাংশ ভিত্তিক বাড়িভাড়ার প্রস্তাব আমরা পাঠিয়েছিলাম। পরে পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।”
তবে শিক্ষকদের অভিযোগ, “প্রতিবারই আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু ফল মেলে না।”
এক শিক্ষক ক্ষোভভরে বলেন, “৫০০ টাকায় এখন ঢাকায় এক কাপ কফি খাওয়া যায়, বাড়িভাড়া নয়!”
সরকারি সূত্র বলছে, বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণেই আপাতত ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল অর্থ বিভাগ। কিন্তু শিক্ষক মহল বলছে, ‘বাজেট নয়, ইচ্ছাশক্তিই আসল সীমাবদ্ধতা’।
অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করছে, “শতাংশে আসাটাই বড় অগ্রগতি।”
তবে তাতে আশ্বস্ত নন শিক্ষকরা। তাদের ভাষায়, “অগ্রগতি যদি কথায় হয়, তাহলে শিক্ষার অচলাবস্থার সমাধান কবে হবে?”
সাউথ বাংলা ডেস্ক 























