তারিকুল তাজ, কক্সবাজার প্রতিনিধি||
বর্ষার জল জমে ছিল বিলজুড়ে। সেখানেই খেলছিল কয়েকটি শিশু। হঠাৎই নিস্তব্ধতা…
জলে হারিয়ে গেল জান্নাত আরা আর মোহাম্মদ ফারুক।
ফিরে এল তারা, কিন্তু প্রাণহীন।
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের বড় লেচুয়াপ্রাং যেন শুক্রবার দুপুরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। আট বছরের জান্নাত আর দশ বছরের ফারুক—দু’জনেই ছিল একই পাড়ার। খেলার ছলে বিলের জমে থাকা পানিতে নেমে যায়। আর উঠতে পারেনি।
চিৎকারে ছুটে আসেন আশপাশের মানুষ। তুলে আনেন জলের বুক থেকে ছোট ছোট দুই দেহ। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় ক্লিনিকে। কিন্তু চিকিৎসকেরা তখন শুধু মৃত্যুর ঘোষণা দেন।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কাঁপা গলায় বললেন, “এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটা আমাদের অবহেলার ফল।”
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানালেন, “স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বর্ষার জল এসে যেমন শান্তি দেয় প্রকৃতিকে, তেমনই কেড়ে নেয় প্রাণ।
জান্নাত আর ফারুক—দুইটি নাম এখন বড় লেচুয়াপ্রাংয়ের প্রতিটি মুখে।
কেউ আর চোখের জল ধরে রাখতে পারছে না।
কারণ, দুটো খালি স্কুলব্যাগ পড়ে আছে এখনও…
সাউথ বাংলা ডেস্ক 
























