ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪
দুমকীতে আর্থিক সাহায্যের আকুতি

“একটি প্রাণ, একটি পরিবার—সোবহানের বাঁচার জন্য হাত বাড়ান”

0-3968x2976-0-0#

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিকশাচালক আবদুস সোবহান(৪০) ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী আকলিমা বেগম, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে ভালোই চলছিল সীমিত আয়ের সংসার।

কিন্তু এ বছরের ফেব্রুয়ারির এক দুপুরে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে হঠাৎ ঘরে ফেরেন সোবহান। ব্যথা বাড়তে থাকায় ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কিছুদিনের মধ্যে জানা গেল, তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারাত্মক ব্যাধি—ক্লোন ক্যান্সার। শুধু তাই নয়, রয়েছে আরও নানা জটিলতা, যার মধ্যে প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর অন্যতম।

এই খবর যেন এক ঝটকায় সবকিছু ওলটপালট করে দেয় তাদের। স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দফা অপারেশন হয়। কিন্তু তাতে শেষ নয়—চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাঁচতে হলে সোবহানের জরুরি ভিত্তিতে আরও চিকিৎসা ও অপারেশন প্রয়োজন। খরচ হবে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।

এত টাকা কোথা থেকে আসবে?

সোবহানের স্ত্রী আকলিমা বেগম এখন মানুষের বাসায় কাজ করে কোনোভাবে চালাচ্ছেন সংসার। নিত্যদিনের খাবার জোটানোই যেখানে কঠিন, সেখানে চিকিৎসা খরচ বহন করা অসম্ভবই বটে। “স্বামীর ওষুধ কিনব কীভাবে?”—এই প্রশ্নে তার কণ্ঠ কেঁপে ওঠে, চোখ বেয়ে নামে অশ্রু।

তাদের বড় ছেলে আল আমিন স্থানীয় মাদ্রাসায় হাফেজি পড়ছে। ছোট মেয়ে জান্নাতুলের বয়স মাত্র ছয় বছর। খেলাধুলা বা স্কুল নয়, এই শিশুর স্বপ্নগুলো এখন বাবার কষ্ট দেখে আতঙ্কে ঘেরা।

স্থানীয়রা বলছেন, পরিবারটি একেবারেই মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছে। সমাজের সবার একটু সহানুভূতিই পারে তাদের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে।

আকলিমা বেগম সমাজের বিত্তবান, দানশীল সংগঠন ও সহৃদয় ব্যক্তিদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন—এই মুমূর্ষু মানুষের পাশে দাঁড়ান। হয়তো আপনার একটু সহায়তাই নতুন করে শ্বাস নিতে শেখাবে একটি পরিবারকে।

সহযোগিতার ঠিকানা: আবদুস সোবহান
মোবাইল: ০১৭৪৪-২৫১-৫২৮(নগদ ও বিকাশ)

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দুমকীতে আর্থিক সাহায্যের আকুতি

“একটি প্রাণ, একটি পরিবার—সোবহানের বাঁচার জন্য হাত বাড়ান”

Update Time : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিকশাচালক আবদুস সোবহান(৪০) ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী আকলিমা বেগম, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে ভালোই চলছিল সীমিত আয়ের সংসার।

কিন্তু এ বছরের ফেব্রুয়ারির এক দুপুরে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে হঠাৎ ঘরে ফেরেন সোবহান। ব্যথা বাড়তে থাকায় ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কিছুদিনের মধ্যে জানা গেল, তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারাত্মক ব্যাধি—ক্লোন ক্যান্সার। শুধু তাই নয়, রয়েছে আরও নানা জটিলতা, যার মধ্যে প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর অন্যতম।

এই খবর যেন এক ঝটকায় সবকিছু ওলটপালট করে দেয় তাদের। স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দফা অপারেশন হয়। কিন্তু তাতে শেষ নয়—চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাঁচতে হলে সোবহানের জরুরি ভিত্তিতে আরও চিকিৎসা ও অপারেশন প্রয়োজন। খরচ হবে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।

এত টাকা কোথা থেকে আসবে?

সোবহানের স্ত্রী আকলিমা বেগম এখন মানুষের বাসায় কাজ করে কোনোভাবে চালাচ্ছেন সংসার। নিত্যদিনের খাবার জোটানোই যেখানে কঠিন, সেখানে চিকিৎসা খরচ বহন করা অসম্ভবই বটে। “স্বামীর ওষুধ কিনব কীভাবে?”—এই প্রশ্নে তার কণ্ঠ কেঁপে ওঠে, চোখ বেয়ে নামে অশ্রু।

তাদের বড় ছেলে আল আমিন স্থানীয় মাদ্রাসায় হাফেজি পড়ছে। ছোট মেয়ে জান্নাতুলের বয়স মাত্র ছয় বছর। খেলাধুলা বা স্কুল নয়, এই শিশুর স্বপ্নগুলো এখন বাবার কষ্ট দেখে আতঙ্কে ঘেরা।

স্থানীয়রা বলছেন, পরিবারটি একেবারেই মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছে। সমাজের সবার একটু সহানুভূতিই পারে তাদের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে।

আকলিমা বেগম সমাজের বিত্তবান, দানশীল সংগঠন ও সহৃদয় ব্যক্তিদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন—এই মুমূর্ষু মানুষের পাশে দাঁড়ান। হয়তো আপনার একটু সহায়তাই নতুন করে শ্বাস নিতে শেখাবে একটি পরিবারকে।

সহযোগিতার ঠিকানা: আবদুস সোবহান
মোবাইল: ০১৭৪৪-২৫১-৫২৮(নগদ ও বিকাশ)

প্রিন্ট করুন :