নিজস্ব প্রতিবেদক ||
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিকশাচালক আবদুস সোবহান(৪০) ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী আকলিমা বেগম, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে ভালোই চলছিল সীমিত আয়ের সংসার।
কিন্তু এ বছরের ফেব্রুয়ারির এক দুপুরে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে হঠাৎ ঘরে ফেরেন সোবহান। ব্যথা বাড়তে থাকায় ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কিছুদিনের মধ্যে জানা গেল, তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারাত্মক ব্যাধি—ক্লোন ক্যান্সার। শুধু তাই নয়, রয়েছে আরও নানা জটিলতা, যার মধ্যে প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর অন্যতম।
এই খবর যেন এক ঝটকায় সবকিছু ওলটপালট করে দেয় তাদের। স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দফা অপারেশন হয়। কিন্তু তাতে শেষ নয়—চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাঁচতে হলে সোবহানের জরুরি ভিত্তিতে আরও চিকিৎসা ও অপারেশন প্রয়োজন। খরচ হবে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।
এত টাকা কোথা থেকে আসবে?
সোবহানের স্ত্রী আকলিমা বেগম এখন মানুষের বাসায় কাজ করে কোনোভাবে চালাচ্ছেন সংসার। নিত্যদিনের খাবার জোটানোই যেখানে কঠিন, সেখানে চিকিৎসা খরচ বহন করা অসম্ভবই বটে। “স্বামীর ওষুধ কিনব কীভাবে?”—এই প্রশ্নে তার কণ্ঠ কেঁপে ওঠে, চোখ বেয়ে নামে অশ্রু।
তাদের বড় ছেলে আল আমিন স্থানীয় মাদ্রাসায় হাফেজি পড়ছে। ছোট মেয়ে জান্নাতুলের বয়স মাত্র ছয় বছর। খেলাধুলা বা স্কুল নয়, এই শিশুর স্বপ্নগুলো এখন বাবার কষ্ট দেখে আতঙ্কে ঘেরা।
স্থানীয়রা বলছেন, পরিবারটি একেবারেই মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছে। সমাজের সবার একটু সহানুভূতিই পারে তাদের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে।
আকলিমা বেগম সমাজের বিত্তবান, দানশীল সংগঠন ও সহৃদয় ব্যক্তিদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন—এই মুমূর্ষু মানুষের পাশে দাঁড়ান। হয়তো আপনার একটু সহায়তাই নতুন করে শ্বাস নিতে শেখাবে একটি পরিবারকে।
সহযোগিতার ঠিকানা: আবদুস সোবহান
মোবাইল: ০১৭৪৪-২৫১-৫২৮(নগদ ও বিকাশ)