ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪
শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতালের জন্য নিলামে এমির বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস।

৪৫ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে এমির বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস

শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতালের জন্য কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস নিলামে বিক্রি করেছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। নিলামে ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার বা, বাংলাদেশি টাকায় ৪৭ লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে তার গ্লাভস। আর্জেন্টিনার একটি হাসপাতালের ক্যান্সার ইউনিটে ব্যয় করা হবে এই টাকা। স্পোর্টস্টারের খবর।
গত শুক্রবার (১০ মার্চ) এই নিলামটি অনুষ্ঠিত হয় অনলাইনে। অ্যাস্টন ভিলায় খেলা এমিলিয়ানো অনলাইনে ইংল্যান্ড থেকে যুক্ত হন। নিলামে তোলার আগে গত ফেব্রুয়ারিতে গ্লাভসটিতে নিজের অটোগ্রাফও দিয়েছিলেন তিনি।
নিলাম প্রসঙ্গে আর্জেন্টিনা প্যাডিয়াট্রিক ফাউন্ডেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার বৃহত্তম শিশুরোগ হাসপাতাল গারাহান হসপিটালের তহবিলে ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশ্বকাপ ফাইনালে তার ব্যবহৃত গ্লাভস নিলামে তুলে এই অর্থ সংগ্রহ করেছেন ‘দিবু।
এমিলিয়ানো আগেই জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালে যে গ্লাভস পড়ে জাতীয় দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন, সেই গ্লাভসটি তার অনুভূতির বিশেষ জায়গায় অবস্থান করে। শুধু এমিলিয়ানোর জন্য নয়, আর্জেন্টিনা জাতির কাছে এ এক ঐতিহাসিক গ্লাভস। তাই নিজের বাসায় ফেলে না রেখে এই গ্লাভস নিলামে তুলে পাওয়া অর্থ মানবিক কাজে ব্যয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষক।
নিলামের ইভেন্টটিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস নিলামে তোলার মাধ্যমে শিশুদের জন্য অর্থ প্রদানের এই সুযোগ সম্পর্কে যখন আমাকে বলা হয়, আমি ইতস্তত করিনি। এই অর্থ শিশুদের কাজে লাগবে। তাছাড়া, বিশ্বকাপ ফাইনাল তো আর প্রতিদিন খেলা হয় না! এই গ্লাভস তাই আমার কাছে বিশেষ। তবে, ঘরে রেখে দেয়ার চাইতে যখন শিশুদের কাজে লাগবে এই গ্লাভস, সেটাই বেশি ভালো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতালের জন্য নিলামে এমির বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস।

৪৫ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে এমির বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস

Update Time : ০৬:৩০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতালের জন্য কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস নিলামে বিক্রি করেছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। নিলামে ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার বা, বাংলাদেশি টাকায় ৪৭ লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে তার গ্লাভস। আর্জেন্টিনার একটি হাসপাতালের ক্যান্সার ইউনিটে ব্যয় করা হবে এই টাকা। স্পোর্টস্টারের খবর।
গত শুক্রবার (১০ মার্চ) এই নিলামটি অনুষ্ঠিত হয় অনলাইনে। অ্যাস্টন ভিলায় খেলা এমিলিয়ানো অনলাইনে ইংল্যান্ড থেকে যুক্ত হন। নিলামে তোলার আগে গত ফেব্রুয়ারিতে গ্লাভসটিতে নিজের অটোগ্রাফও দিয়েছিলেন তিনি।
নিলাম প্রসঙ্গে আর্জেন্টিনা প্যাডিয়াট্রিক ফাউন্ডেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার বৃহত্তম শিশুরোগ হাসপাতাল গারাহান হসপিটালের তহবিলে ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশ্বকাপ ফাইনালে তার ব্যবহৃত গ্লাভস নিলামে তুলে এই অর্থ সংগ্রহ করেছেন ‘দিবু।
এমিলিয়ানো আগেই জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালে যে গ্লাভস পড়ে জাতীয় দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন, সেই গ্লাভসটি তার অনুভূতির বিশেষ জায়গায় অবস্থান করে। শুধু এমিলিয়ানোর জন্য নয়, আর্জেন্টিনা জাতির কাছে এ এক ঐতিহাসিক গ্লাভস। তাই নিজের বাসায় ফেলে না রেখে এই গ্লাভস নিলামে তুলে পাওয়া অর্থ মানবিক কাজে ব্যয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষক।
নিলামের ইভেন্টটিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের গ্লাভস নিলামে তোলার মাধ্যমে শিশুদের জন্য অর্থ প্রদানের এই সুযোগ সম্পর্কে যখন আমাকে বলা হয়, আমি ইতস্তত করিনি। এই অর্থ শিশুদের কাজে লাগবে। তাছাড়া, বিশ্বকাপ ফাইনাল তো আর প্রতিদিন খেলা হয় না! এই গ্লাভস তাই আমার কাছে বিশেষ। তবে, ঘরে রেখে দেয়ার চাইতে যখন শিশুদের কাজে লাগবে এই গ্লাভস, সেটাই বেশি ভালো।

প্রিন্ট করুন :