ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের পটুয়াখালীতে সৌদি খেজুরবাগানের ফলনধরা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলামের দুমকিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত ১৬ সিলেটে বাস-বাস সংঘর্ষে নিহত ৯, নিহতের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী সাবেক পুলিশ সদস্যের মৎস্য খামারে মরদেহ উদ্ধার পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড সিরিজ

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

জেসন রয়ের ১২তম শতক ও অধিনায়ক জস বাটলারের ঝড়ো ফিফটির সাথে মঈন আলি ও স্যাম কারানের ক্যামিওতে ৩২৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ইংল্যান্ড। ৩২৭ রানের পাহাড়সম রান তাড়া করতে ১৯০ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ১৩২ রানের বড় হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারলো টাইগাররা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশি দুই স্পিনার সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামকে দেখেশুনে খেলতে থাকে। তবে ইনিংসের সপ্তম ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সল্ট। স্লিপে থাকা শান্ত দুর্দান্তভাবে লুফে নেন ক্যাচটি। মাত্র ৭ রান করে আউট হন সল্ট।
সল্টের বিদায়ের পর প্রতিরোধ গড়েন রয় ও মালান। দুইজনের জুটিতে আসে ৫৮ রান। দলীয় ৮৩ রানের মাথায় মিরাজের শিকার হন মালান। ব্যক্তিগত ১১ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। মালানের বিদায়ে ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি আরেক ইংলিশ ব্যাটার জেমস ভিন্স। ব্যক্তিগত ৫ রান করে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ তুলে তাইজুল ইসলামের শিকার হন তিনি।
৯৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপর্যয়ে ঠিক তখনই অধিনায়ক জস বাটলারকে সঙ্গী করে লড়ে যান রয়। ম্যাচের ৩২তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বল লেগ সাইডে ঠেলে দিয়েই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন রয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন বাটলার। দু’জনের বল প্রতি রান তোলার জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে ছুটতে থাকা ইংলিশদের রানের গতিতে লাগাম টানেন সাকিব। রয়-বাটলারের ১০৯ রানের জুটি ভাঙেন এই নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার। ৩৬তম ওভারের চতুর্থ বলে রয়কে আউট করেন সাকিব।
এর পরের ওভারে পেসার তাসকিন আহমেদের বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন জ্যাকস। ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। তবে অলরাউন্ডার মঈন আলিকে সঙ্গী করে রানের গতি বাড়াতে থাকেন বাটলার। ৫টি চার ও ২টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে ৬৪ বলে ৭৪ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দেন তিনি। মিরাজের দুর্দান্ত কট এন্ড বোল্ডের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন এই ইংলিশ অধিনায়ক।
এরপর বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন মঈন আলি। তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৫ বলে ৪২ রানের এক ক্যামিও খেলেন এই অলরাউন্ডার। ফিনিশিংটাও দুর্দান্ত পেয়েছে ইংলিশরা। ১৯ বলে ২টি চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রানের আরেকটি ক্যামিও খেলেন স্যাম কারেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩২৬ রান তুলতে সক্ষম হয় ইংলিশরা। বাংলাদেশ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২টি উইকেট নেন মিরাজ এবং ১টি করে উইকেট পান সাকিব ও তাইজুল।
রেকর্ড গড়ে জিততে হবে এমন লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারে বল করতে আসেন স্যাম কারান। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই জেসন রয়ের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন লিটন। ক্রিজে এসে কারানের সুইং বোঝার আগেই গোল্ডেন ডাক মারেন সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শান্ত। খোঁচা মেরে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিক। অফ স্ট্যাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাটে লেগে বল চলে যায় বাটলারের গ্লাভসে। আম্পায়ার আউটের সাড়া না দিলেও তাৎক্ষণিক রিভিউ নেন ইংলিশ অধিনায়ক বাটলার। থার্ড আম্পায়ারের ডিসিশনে আউট হন মুশফিক। ব্যক্তিগত ৪ রান করে বিদায় নেন এই ব্যাটার।
৯ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটার আউট হলে বড় হারের লজ্জার হাতছানি ছিল টাইগারদের সামনে। তবে চতুর্থ উইকেটে ১১১ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়ে দলের সম্মান কিছুটা হলেও রক্ষা করেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। রান রেট ৮’র উপরে উঠতে শুরু করলে হাত খুলে মারা শুরু করেন সাকিব। তার সাথে যোগ দেন তামিমও। কিন্তু দলীয় ৮৮ রানে মঈন আলিকে ওয়াইড লং অফের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তামিম। ধরা পড়েন জেমস ভিন্সের হাতে। আউট হবার আগে ৬৫ বলে ৩৫ রান করেন তামিম ইকবাল। যেখানে ছিল ৪টি চারের মার।
তামিমের আউট হবার পর হাত খুলে মারা শুরু করেন সাকিব। ৫৯ বলেই স্পর্শ করেন তার ক্যারিয়ারের ৫১তম হাফ-সেঞ্চুরি। ৬৯ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৫৮ রান করা সাকিব নিজের সহজাত খেলার পাশাপাশি পড়েছিলেন রানের চাপে। তাই তো আদিল রশিদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বিপদে পড়েন এই অলরাউন্ডার। মিড অফে ধরা পড়েন স্যাম কারানের হাতে। এরপর শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাটারদের আশা যাওয়ার মিছিল।
মাহমুদউল্লাহ ৩২, আফিফ ২৩, মিরাজ ৭, তাসকিন ২১, তাইজুল ১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৪ দশমিক ৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান আদিল রশিদ ও স্যাম কারান। এছাড়াও, ১টি উইকেট পান মঈন আলি।
৩ ম্যাচের সিরিজের ১ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় করেছে ইংল্যান্ড।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের

বাংলাদেশ ইংল্যান্ড সিরিজ

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

Update Time : ০৭:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

জেসন রয়ের ১২তম শতক ও অধিনায়ক জস বাটলারের ঝড়ো ফিফটির সাথে মঈন আলি ও স্যাম কারানের ক্যামিওতে ৩২৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ইংল্যান্ড। ৩২৭ রানের পাহাড়সম রান তাড়া করতে ১৯০ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ১৩২ রানের বড় হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারলো টাইগাররা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশি দুই স্পিনার সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামকে দেখেশুনে খেলতে থাকে। তবে ইনিংসের সপ্তম ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সল্ট। স্লিপে থাকা শান্ত দুর্দান্তভাবে লুফে নেন ক্যাচটি। মাত্র ৭ রান করে আউট হন সল্ট।
সল্টের বিদায়ের পর প্রতিরোধ গড়েন রয় ও মালান। দুইজনের জুটিতে আসে ৫৮ রান। দলীয় ৮৩ রানের মাথায় মিরাজের শিকার হন মালান। ব্যক্তিগত ১১ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। মালানের বিদায়ে ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি আরেক ইংলিশ ব্যাটার জেমস ভিন্স। ব্যক্তিগত ৫ রান করে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ তুলে তাইজুল ইসলামের শিকার হন তিনি।
৯৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপর্যয়ে ঠিক তখনই অধিনায়ক জস বাটলারকে সঙ্গী করে লড়ে যান রয়। ম্যাচের ৩২তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বল লেগ সাইডে ঠেলে দিয়েই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন রয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন বাটলার। দু’জনের বল প্রতি রান তোলার জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে ছুটতে থাকা ইংলিশদের রানের গতিতে লাগাম টানেন সাকিব। রয়-বাটলারের ১০৯ রানের জুটি ভাঙেন এই নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার। ৩৬তম ওভারের চতুর্থ বলে রয়কে আউট করেন সাকিব।
এর পরের ওভারে পেসার তাসকিন আহমেদের বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন জ্যাকস। ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। তবে অলরাউন্ডার মঈন আলিকে সঙ্গী করে রানের গতি বাড়াতে থাকেন বাটলার। ৫টি চার ও ২টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে ৬৪ বলে ৭৪ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দেন তিনি। মিরাজের দুর্দান্ত কট এন্ড বোল্ডের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন এই ইংলিশ অধিনায়ক।
এরপর বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন মঈন আলি। তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৫ বলে ৪২ রানের এক ক্যামিও খেলেন এই অলরাউন্ডার। ফিনিশিংটাও দুর্দান্ত পেয়েছে ইংলিশরা। ১৯ বলে ২টি চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রানের আরেকটি ক্যামিও খেলেন স্যাম কারেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩২৬ রান তুলতে সক্ষম হয় ইংলিশরা। বাংলাদেশ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২টি উইকেট নেন মিরাজ এবং ১টি করে উইকেট পান সাকিব ও তাইজুল।
রেকর্ড গড়ে জিততে হবে এমন লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারে বল করতে আসেন স্যাম কারান। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই জেসন রয়ের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন লিটন। ক্রিজে এসে কারানের সুইং বোঝার আগেই গোল্ডেন ডাক মারেন সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শান্ত। খোঁচা মেরে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিক। অফ স্ট্যাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাটে লেগে বল চলে যায় বাটলারের গ্লাভসে। আম্পায়ার আউটের সাড়া না দিলেও তাৎক্ষণিক রিভিউ নেন ইংলিশ অধিনায়ক বাটলার। থার্ড আম্পায়ারের ডিসিশনে আউট হন মুশফিক। ব্যক্তিগত ৪ রান করে বিদায় নেন এই ব্যাটার।
৯ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটার আউট হলে বড় হারের লজ্জার হাতছানি ছিল টাইগারদের সামনে। তবে চতুর্থ উইকেটে ১১১ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়ে দলের সম্মান কিছুটা হলেও রক্ষা করেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। রান রেট ৮’র উপরে উঠতে শুরু করলে হাত খুলে মারা শুরু করেন সাকিব। তার সাথে যোগ দেন তামিমও। কিন্তু দলীয় ৮৮ রানে মঈন আলিকে ওয়াইড লং অফের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তামিম। ধরা পড়েন জেমস ভিন্সের হাতে। আউট হবার আগে ৬৫ বলে ৩৫ রান করেন তামিম ইকবাল। যেখানে ছিল ৪টি চারের মার।
তামিমের আউট হবার পর হাত খুলে মারা শুরু করেন সাকিব। ৫৯ বলেই স্পর্শ করেন তার ক্যারিয়ারের ৫১তম হাফ-সেঞ্চুরি। ৬৯ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৫৮ রান করা সাকিব নিজের সহজাত খেলার পাশাপাশি পড়েছিলেন রানের চাপে। তাই তো আদিল রশিদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বিপদে পড়েন এই অলরাউন্ডার। মিড অফে ধরা পড়েন স্যাম কারানের হাতে। এরপর শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাটারদের আশা যাওয়ার মিছিল।
মাহমুদউল্লাহ ৩২, আফিফ ২৩, মিরাজ ৭, তাসকিন ২১, তাইজুল ১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৪ দশমিক ৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান আদিল রশিদ ও স্যাম কারান। এছাড়াও, ১টি উইকেট পান মঈন আলি।
৩ ম্যাচের সিরিজের ১ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় করেছে ইংল্যান্ড।

প্রিন্ট করুন :