ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

পদ্মগোখরা সাপের ডিম ফুটিয়ে ১৪ বাচ্চা, কলাপাড়ায় প্রথমবার অ্যানিমেল শেডে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবারই প্রথম অ্যানিমেল শেডে পদ্মগোখরার ডিম থেকে ১৪টি বাচ্চা ফুটেছে। প্রায় দেড় মাস ধরে পরিচর্যার পর গত দুই দিনে পর্যায়ক্রমে বাচ্চাগুলো ডিম থেকে বের হয়।

চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি আকারের বিষধর এসব সাপ দেখতে অ্যানিমেল শেডে ভিড় করছেন স্থানীয় মানুষ।

গত ৪ আগস্ট সাপ উদ্ধারের একটি ফোন পেয়ে আমতলী উপজেলার বান্দা এলাকায় যায় স্বেচ্ছাসেবী প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠন অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী-এর সাপ ও বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী কাওসার হৃদয়। বাড়িতে সাপ খুঁজে না পেলেও সেখানে ১৪টি পদ্মগোখরার ডিম পাওয়া যায়।

পরে সর্প বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ডিমগুলো কলাপাড়ায় সংগঠনটির অ্যানিমেল শেডে নিয়ে গিয়ে তা ফোটানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। প্রায় দেড় মাস পর ডিমগুলো থেকে বাচ্চা বের হয়।

সংগঠনের সদস্য বায়েজিদ আহমেদ বলেন, পদ্মগোখরার ডিম ফুটতে সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ দিন সময় লাগে। তবে পরিবেশের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

তিনি জানান, একটি স্ত্রী পদ্মগোখরা সাধারণত ১০ থেকে ৩০টি ডিম দিতে পারে। ডিম থেকে বের হওয়ার পরপরই এ সাপের বাচ্চা বিষধর এবং নিজের মতো করে চলাফেরা করতে সক্ষম।

বায়েজিদ আহমেদ আরও বলেন, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও উপকূলীয় বন বিভাগ, পটুয়াখালীর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বাচ্চাগুলো সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হবে। আপাতত ১৪টি সাপের বাচ্চাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষধর সাপসহ বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই লোকালয়ে পাওয়া বন্যপ্রাণীকে না মেরে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীদের মাধ্যমে নিরাপদে উদ্ধার করে উপযুক্ত পরিবেশে অবমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

পদ্মগোখরা সাপের ডিম ফুটিয়ে ১৪ বাচ্চা, কলাপাড়ায় প্রথমবার অ্যানিমেল শেডে

Update Time : ০৯:৫৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবারই প্রথম অ্যানিমেল শেডে পদ্মগোখরার ডিম থেকে ১৪টি বাচ্চা ফুটেছে। প্রায় দেড় মাস ধরে পরিচর্যার পর গত দুই দিনে পর্যায়ক্রমে বাচ্চাগুলো ডিম থেকে বের হয়।

চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি আকারের বিষধর এসব সাপ দেখতে অ্যানিমেল শেডে ভিড় করছেন স্থানীয় মানুষ।

গত ৪ আগস্ট সাপ উদ্ধারের একটি ফোন পেয়ে আমতলী উপজেলার বান্দা এলাকায় যায় স্বেচ্ছাসেবী প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠন অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী-এর সাপ ও বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী কাওসার হৃদয়। বাড়িতে সাপ খুঁজে না পেলেও সেখানে ১৪টি পদ্মগোখরার ডিম পাওয়া যায়।

পরে সর্প বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ডিমগুলো কলাপাড়ায় সংগঠনটির অ্যানিমেল শেডে নিয়ে গিয়ে তা ফোটানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। প্রায় দেড় মাস পর ডিমগুলো থেকে বাচ্চা বের হয়।

সংগঠনের সদস্য বায়েজিদ আহমেদ বলেন, পদ্মগোখরার ডিম ফুটতে সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ দিন সময় লাগে। তবে পরিবেশের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

তিনি জানান, একটি স্ত্রী পদ্মগোখরা সাধারণত ১০ থেকে ৩০টি ডিম দিতে পারে। ডিম থেকে বের হওয়ার পরপরই এ সাপের বাচ্চা বিষধর এবং নিজের মতো করে চলাফেরা করতে সক্ষম।

বায়েজিদ আহমেদ আরও বলেন, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও উপকূলীয় বন বিভাগ, পটুয়াখালীর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বাচ্চাগুলো সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হবে। আপাতত ১৪টি সাপের বাচ্চাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষধর সাপসহ বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই লোকালয়ে পাওয়া বন্যপ্রাণীকে না মেরে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীদের মাধ্যমে নিরাপদে উদ্ধার করে উপযুক্ত পরিবেশে অবমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রিন্ট করুন :