ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের পটুয়াখালীতে সৌদি খেজুরবাগানের ফলনধরা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলামের দুমকিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত ১৬ সিলেটে বাস-বাস সংঘর্ষে নিহত ৯, নিহতের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী সাবেক পুলিশ সদস্যের মৎস্য খামারে মরদেহ উদ্ধার পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

এনসিপির পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নেত্রীর মামলা

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

এনসিপির পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা এক নারী নেত্রীকে মারধর ও অপদস্থ করার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা হয়েছে।

মামলাটি করেছেন এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সদস্য বিপাশা আক্তার, যিনি আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত মঙ্গলবার তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দ্রুত বিচার) আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য সদর মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে—দলের দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, বিজয়নগর উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল হক চৌধুরী, আখাউড়া উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী ইয়াকুব আলী, সদস্য সাকিব মিয়া ও রতন মিয়াকে।

মামলার আরজিতে বলা হয়, এক মাস আগে বিপাশা ও তার স্বামীসহ কয়েকজন নেতা ঢাকায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে ছবি তোলেন। পরে ছবি এনসিপির আখাউড়া গ্রুপে পাঠালে কয়েকজন নেতা ক্ষিপ্ত হন। সাকিব মিয়া বাদীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে বিচার চাইতে গেলে অভিযোগ অনুযায়ী আতাউল্লাহর নির্দেশে তাকে আরও অপদস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২৯ নভেম্বর শহরের পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে কয়েকজন নেতা বিপাশাকে চড়–থাপ্পড় মারেন। অভিযোগে বলা হয়, ইয়াকুব আলী তার পেটে লাথি মারেন এবং গলা থেকে এক ভরি দুই আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। এসময় বিপাশা ও তার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইয়াকুব আলী বলেন, তাকে উল্টো মারধর করা হয়েছে এবং অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আতাউল্লাহও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছেন, তবে মামলার নথি এখনো থানায় পৌঁছায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকারকে ‘কার্যকর উদ্যোগের’ আহ্বান জামায়াতের

এনসিপির পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নেত্রীর মামলা

Update Time : ০৪:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

এনসিপির পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা এক নারী নেত্রীকে মারধর ও অপদস্থ করার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা হয়েছে।

মামলাটি করেছেন এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সদস্য বিপাশা আক্তার, যিনি আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত মঙ্গলবার তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দ্রুত বিচার) আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য সদর মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে—দলের দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, বিজয়নগর উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল হক চৌধুরী, আখাউড়া উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী ইয়াকুব আলী, সদস্য সাকিব মিয়া ও রতন মিয়াকে।

মামলার আরজিতে বলা হয়, এক মাস আগে বিপাশা ও তার স্বামীসহ কয়েকজন নেতা ঢাকায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে ছবি তোলেন। পরে ছবি এনসিপির আখাউড়া গ্রুপে পাঠালে কয়েকজন নেতা ক্ষিপ্ত হন। সাকিব মিয়া বাদীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে বিচার চাইতে গেলে অভিযোগ অনুযায়ী আতাউল্লাহর নির্দেশে তাকে আরও অপদস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২৯ নভেম্বর শহরের পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে কয়েকজন নেতা বিপাশাকে চড়–থাপ্পড় মারেন। অভিযোগে বলা হয়, ইয়াকুব আলী তার পেটে লাথি মারেন এবং গলা থেকে এক ভরি দুই আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। এসময় বিপাশা ও তার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইয়াকুব আলী বলেন, তাকে উল্টো মারধর করা হয়েছে এবং অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আতাউল্লাহও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছেন, তবে মামলার নথি এখনো থানায় পৌঁছায়নি।

প্রিন্ট করুন :