সাউথ বাংলা ডেস্ক ||
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে এবার বিশেষ নজর কেড়েছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী—সবার কাছে যিনি ‘টেসলা নেত্রী’ নামেই পরিচিত। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও থ্রি হুইলারের বৈধতা আন্দোলনের সামনের সারির যোদ্ধা তিনি। টেসলা চালকদের সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব হওয়ায় এই পরিচয়ই এখন তার বড় রাজনৈতিক ব্র্যান্ড।
২০১৮ সালের বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করে আলোচনায় আসেন মনীষা। আর তার পরের গল্প—রিকশা ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলন, প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘাত, সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে সরাসরি অবস্থান–—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত নারীনেত্রীদের একজন।
এবার সেই মনীষা যখন সদর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন, শহরজুড়ে নতুন সমীকরণ। বামপন্থী ভোটার, শ্রমজীবী মানুষের বড় অংশ এবং বিশেষ করে থ্রি হুইলারের চালকরা তার শক্ত ঘাঁটি—এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনা তুঙ্গে।
সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে মনীষার সোজাসাপ্টা বক্তব্য—
“আমি ও আমার পরিবার সাধারণ মানুষের জন্যই আন্দোলন করেছি সারাজীবন। সংসদে যেতে পারলে বরিশালের উন্নয়নেই কাজ করব।”
সদর-৫ আসনে ইতিমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ফয়জুল করিম, জামায়াতের মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল এবং এনসিপির লিপু।
বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পুরো সিটি মিলিয়ে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৯। এই ভোটযুদ্ধে পাঁচ রাজনৈতিক ভুবনের পাঁচ ভিন্ন চরিত্রের লড়াই—এবার তাই বিরল এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বরিশাল।
মাঠের রাজনীতি বলছে, টেসলা নেত্রীর প্রবেশে সদর আসনের নির্বাচন এবার আরও রঙিন, আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















