সঞ্জীব দাস,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি||
পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি কিনে চাষ করতে গিয়ে প্রভাবশালীদের রোষানলে পড়েছেন মোকলেছুর রহমান নামে এক কৃষক। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। মামলার নং ৩৩০—বিষয়টি আমলে নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গলাচিপা থানার ওসি ও স্থানীয় ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রভাবশালীরা “লাঠিয়াল ও ভূমিদস্যু”—আইন-আদালত তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে জমির দখল নিতে মরিয়া। জমির খতিয়ান বা দাগে তাদের আদৌ কোনো মালিকানা আছে কিনা, তাও নিশ্চিত নয়।
বাদী মোকলেছুর রহমান জানান, “আমি আমার চাচাদের কাছ থেকে রেকর্ডীয় জমি কিনেছি। কিন্তু প্রতিপক্ষরা আমাদের জমিতে চাষ করতে দিচ্ছে না, বরং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি ছেড়ে দিতে চাপ দিচ্ছে।”
জমিগুলো রতনদি মৌজায়, জে.এল. নং ১০৭ এর অধীন। খতিয়ান নং ২৪, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১ ও ৩৪—দাগ সংখ্যা ৮০, ৮১, ৮৫, ৯০, ১০৪, ১৬২, ১৬৩ সহ মোট ৫২টি দাগে বিভক্ত। মোট জমির পরিমাণ ১৭ একর ৯৭ শতাংশ। এর মধ্যে বিরোধপূর্ণ জমি ১ একর ৩৮ শতাংশ বা প্রায় ৪৬ কড়া।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, “আদালতের নির্দেশ পেয়েছি, দুই পক্ষকে নোটিশ করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট দেওয়া হবে।”
গলাচিপা থানার এ.এস.আই তারেক রহমান বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এসেছি। দলিলপত্র দেখে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”
এদিকে জমি চাষাবাদের সময় এলেই স্থানীয় ওই চক্রটির চোখ রাঙানি বেড়ে যায় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। জমিতে ঢুকতে না পারায় জমি পড়ে আছে অনাবাদী। চাষাবাদ তো দূরের কথা—নিজের মালিকানার জমিতেই যেন এখন তারা অতিথি।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















