নিজস্ব সংবাদদাতা, দুমকি |
চোখে অস্ত্রোপচার শেষে বিছানায় বিশ্রামে শুয়ে আছেন ফারুক হোসেন হাওলাদার। আর তাঁর পাশেই দাঁড়িয়ে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন। মুখে মমতা, হাতে সহানুভূতির ছোঁয়া। চারপাশে জড়ো হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা—যেন একখণ্ড সংহতির দৃশ্যপট।
দুমকি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন হাওলাদারের চোখে সম্প্রতি সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাঁর খোঁজখবর নিতে মঙ্গলবার(২৮ জুলাই) বিকেলে সরাসরি তাঁর বাড়িতে ছুটে যায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।
সাথে ছিলেন দলীয় শুভানুধ্যায়ীদের দীর্ঘ মিছিল—দুমকি উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল হক হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান মিন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক কবির শরীফ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সাহিত্য ও ক্রীড়া সম্পাদক জুয়েল মিয়া, মুরাদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক খান, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, লেবুখালী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুবদলের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল হক, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সহিদুল ইসলাম (সহিদ সরদার), জনতা কলেজ ছাত্রদলের আরিফ হোসেন আরাফাত ও সদস্য সচিব সাঈদ মৃধা।আরও উপস্থিত ছিলেন দুমকি উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাওলাদার ও সদস্য সচিব রিয়াজ হোসেন জাকির প্রমুখ।
এ সময় অ্যাডভোকেট টোটন বলেন,
“ফারুক ভাই শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি দলীয় কর্মীদের একতাবদ্ধ রাখার বাতিঘর। তার পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় তার খোঁজখবর রাখব এবং সকলকে অনুরোধ করব—এই কঠিন সময়ে আমরা যেন আরও বেশি একতাবদ্ধ হই।”
রাজনীতির মাঠে যেখানে মাঝে মাঝে তিক্ততা, সেখানে এমন ভালোবাসা আর সহমর্মিতার ছবি রচনা করে গেল এক নিঃশব্দ বার্তা—দল কেবল সংগঠন নয়, এটি এক পরিবার।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















