তারিকুল তাজ, কক্সবাজার প্রতিনিধি||
নেতিবাচক গুঞ্জন, অবহেলা, অবজ্ঞা—সব কিছুকে পেছনে ফেলে দৃষ্টান্ত গড়ল মহেশখালীর জলেয়ারমার ঘাট উচ্চ বিদ্যালয়। ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলে এই প্রতিষ্ঠানটি পুরো উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে তাক লাগিয়েছে সবাইকে।
যে স্কুলকে এক সময় বলা হতো ‘পেছনে পড়ে থাকা’, সেই স্কুলই আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটন স্পষ্ট ভাষায় বললেন, “সমালোচনার জবাব আমরা দিয়েছি কাজের মাধ্যমে। আমি কৃতজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের প্রতি। এই সাফল্য শুধু আমাদের নয়, পুরো মহেশখালীর গর্ব।”
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানালেন, সুপরিকল্পিত দিকনির্দেশনা, একনিষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দের পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের ফলেই এই উত্থান।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গোলাম কাদের মেম্বার বলেন, “অনেকেই বলত, এই স্কুলে কিছু হবে না। আজকের ফলাফল বলে দিচ্ছে—অভিযোগ নয়, কাজই আসল জবাব। আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছে, তারা পারে।”
বিদ্যালয় সূত্রে খবর, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় স্কুলটির পাশের হার প্রায় শতভাগ, এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫।
পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর থেকেই স্কুল প্রাঙ্গণে বইছে উৎসবের হাওয়া। আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর গর্বে মেতে উঠেছে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসী।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, “এই ফলাফল শুধু ভালো নম্বর নয়, এটি একটি বার্তা—সঠিক দিকনির্দেশনা, নিষ্ঠা আর পরিশ্রম মিললে কোনো প্রতিষ্ঠান পিছিয়ে থাকে না।”
এককথায়, জলেয়ারমার ঘাট স্কুল দেখিয়ে দিল—চাওয়া থাকলে, পারাও সম্ভব।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















