মোঃ মামুন হোসেন ● ভোলা ● সাউথ বাংলা অনলাইন
ঘূর্ণিঝড়ের পর প্রলয়প্রবাহে যখন ভেঙে পড়ল ভোলার তজুমদ্দিনের সুচগেট এলাকার নদী বাঁধ, তখন আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছিল স্থানীয় বাসিন্দারা।
ভোর পেরিয়ে দুপুর গড়াতে না গড়াতেই শনিবার (৩১ মে) বেলা ১২টার দিকে হাজির হল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি দল।
পাশে এসে দাঁড়াল ভাঙা বাঁধ আর বিধ্বস্ত মানুষগুলোর।
স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দ্রুত শুরু হয় বাঁধ মেরামতের কাজ।
পাড়ভাঙা মানুষের মনে এখন খানিক স্বস্তি।
নৌবাহিনীর উপস্থিতি যেন নিরাপত্তার প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্যোগপীড়িত তজুমদ্দিনে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বললেন,
“বাঁধটা ভাঙার পর রাতে ঘুম হয়নি। মনে হচ্ছিল যেকোনও সময় বাড়িঘর ডুবে যাবে। কিন্তু নৌবাহিনী এসে কাজে নেমেছে, এটা দেখে কিছুটা ভরসা পাচ্ছি।”
নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানালেন,
“প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। দ্রুত বাঁধ মেরামতে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে মিলে কাজ করছি।”
ঘূর্ণিঝড় আর অস্বাভাবিক জোয়ারে সম্প্রতি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভোলার উপকূল। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দুর্যোগের মাত্রা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমন অবস্থায় নৌবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ আপাতত রক্ষা করল তজুমদ্দিনের একাংশকে।
যুদ্ধজাহাজ নয়, এই যুদ্ধে তাদের অস্ত্র—শ্রম, সহমর্মিতা আর দায়িত্ববোধ।
আর তার জোরেই জোয়ারের দাপটে ভাঙা বাঁধে আবার বাঁধা পড়ছে ভরসা।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 



















