নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ভ্রাতৃপ্রতিম একটি সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংগঠনটির পক্ষ থেকে কিংবা তাদের পক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষকে কোনো ধরনের প্রচারণা বা কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

আজ সোমবার (১২ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বিচারাধীন ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কর্তৃক প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।’
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় ওঠে। বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম প্রভাবিত না হয় এবং জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে উদ্দেশ্যেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দলীয় কোনো নেতা বা কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোনো প্ল্যাটফর্মে বিচারাধীন ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের পক্ষে প্রচারণা চালালে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানায়, নির্দেশনাটি দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং দলীয়ভাবে তা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রজ্ঞাপন জারির পর ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও বেশিরভাগই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 























