রাজনৈতিক দল হিসেবে বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৩ মে (মঙ্গলবার) দিন নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
বুধবার (৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ. সিদ্দিকী এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড আলী আজম।
এর আগে, ২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ জামায়াতে ইসলামীর খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করেন। ফলে দলটি নতুন করে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন এবং প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরে পাওয়ার আইনি লড়াইয়ের সুযোগ পায়।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট এক রিট আবেদনের রায়ে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করেন। পরে, ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন জারি করে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে। এ রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত আপিল করলেও, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে মূল আইনজীবী অনুপস্থিত থাকায় আপিল বিভাগ ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ বলে আপিলটি খারিজ করে দেন।
এদিকে, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮(১) ধারায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে একই বছরের ২৮ আগস্ট, এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১৩ মে শুনানিতে এই বিষয়গুলোর পূর্ণাঙ্গ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে, যা জামায়াতের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 























