রাজশাহীর পুঠিয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ৩ দিন ধরে অনশন করছেন মোছা. জুলেখা আক্তার রুলি (৩০) নামে এক নারী।
ঘটনাটি পুঠিয়া সদর ইউনিয়নের তারাপুর এলাকার পশ্চিম কান্দা গ্রামে ঘটেছে।
ভুক্তভুগী রুলি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অভিযুক্ত সাঈদ ইকবাল রুবেল দূর সম্পর্কের চাচী বলে জানা গেছে। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) থেকে উপজেলার কান্দ্রা গ্রামে রুবেলের বসত ঘরে এ অনশন শুরু করেন তিনি।
ভুক্তভোগী রুলি জানান, গত তার দুটি সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় প্রতিবেশী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি সদস্য সাঈদ ইকবাল রুবেলের সঙ্গে চার বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেই থেকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে স্ত্রীর মত তাকে ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি বিয়ের জন্য রুলি রুবেলকে চাপ দিলে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন রুবেল। তাই তিনদিন ধরে বিয়ের দাবিতে রুবেলের ঘরে অবস্থান করছেন রুলি।
প্রেমিক রুবেল বাসা থেকে পলাতক এবং ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, তার স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। তবে তার মা মমতা বেগম ছেলের সঙ্গে রুলির সম্পর্ক রয়েছে বলে স্বীকার করেন। তাদের বিয়েতে তার সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
পুঠিয়া সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহাবুল ইসলাম বলেন, “কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে ইউনিয়ন পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে খবর পেয়ে ইউপি সদস্য সাঈদ ইকবাল রুবেলের বাড়িতে যাই। তখন তার প্রেমিকা রুলিকে ঘরে অবস্থান করতে দেখেছি। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করতে বলেছি।
পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে.এম. নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, “ঘটনার সত্যতা পেলে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাউথ বাংলা ডেস্ক 
























