দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) চালু হয়েছে অ্যাকাউন্টস অটোমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় স্যালারি বিলিং সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতি মাসে তাঁদের বেতন ও অন্যান্য ভাতার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানতে পারবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের সেবাসংশ্লিষ্ট কাজ পর্যায়ক্রমে অটোমেশনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে সফটওয়্যারটির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. রাহাত মাহমুদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতন ও অন্যান্য ভাতার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ই-মেইলের মাধ্যমেও এসব তথ্য পাবেন। এতে বেতনসংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হবে এবং হিসাব শাখার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ শাখা ও দপ্তরগুলোকে পর্যায়ক্রমে অটোমেশন সফটওয়্যারের আওতায় আনা হবে। এর অংশ হিসেবে হিসাব শাখায় স্যালারি বিলিং সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শাখা, শিক্ষা শাখা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, পরিবহন শাখা ও সংস্থাপন শাখার কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সেবাসংশ্লিষ্ট কাজেও অটোমেশন চালু করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান, আইসিটি পরিচালক ড. মো. শামসুজ্জামান সবুজ এবং বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্কের (বিডিআরইএন) প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ তাওরিত উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগ ও শাখাপ্রধানেরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও শিক্ষার্থীসংশ্লিষ্ট কাজে অটোমেশন চালু হলে সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করা, দাপ্তরিক জটিলতা কমানো এবং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Reporter Name 




















