ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, বাহুবলে বিতরণ ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪৯ Time View

 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা ভূমির মালিকদের মাঝে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় থাকা ২৪ জন ভূমির মালিকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।

রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভূমির মালিকদের হাতে চেক তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সরকারের বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাস্তবায়নাধীন ‘সাপোর্ট টু ঢাকা (কাচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাব্বির আহমেদ, বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদ মোহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় জানান, ফোরলেন প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মোট ২৪ জন ভূমির মালিককে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণের জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অধিগ্রহণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের আইনানুগ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল।

তবে ক্ষতিপূরণ প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেয়। কেউ কেউ জমি অধিগ্রহণের পরও যথাসময়ে ক্ষতিপূরণের অর্থ না পাওয়ায় ভোগান্তির কথা জানান। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ২৪ জন ভূমির মালিকের মাঝে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ নিশ্চিত করা জরুরি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগও কমবে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, বাহুবলে বিতরণ ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা

Update Time : ১০:৩৪:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা ভূমির মালিকদের মাঝে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় থাকা ২৪ জন ভূমির মালিকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।

রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভূমির মালিকদের হাতে চেক তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সরকারের বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাস্তবায়নাধীন ‘সাপোর্ট টু ঢাকা (কাচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাব্বির আহমেদ, বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদ মোহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় জানান, ফোরলেন প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মোট ২৪ জন ভূমির মালিককে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণের জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অধিগ্রহণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের আইনানুগ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল।

তবে ক্ষতিপূরণ প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেয়। কেউ কেউ জমি অধিগ্রহণের পরও যথাসময়ে ক্ষতিপূরণের অর্থ না পাওয়ায় ভোগান্তির কথা জানান। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ২৪ জন ভূমির মালিকের মাঝে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ নিশ্চিত করা জরুরি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগও কমবে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে।

প্রিন্ট করুন :