নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের সংখ্যা কম হওয়ায় শিক্ষার্থী সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা। শিক্ষার্থী ভর্তিতে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দুমকির ২৩টি বিদ্যালয় থেকে ৮০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৭ জন পাস করেছেন। মাদ্রাসা থেকে ৫৬৮ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬০ জন। উপজেলায় সরকারি জনতা কলেজ, আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজ, তিনটি মহিলা কলেজ ও তিনটি কারিগরি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, উপজেলার একমাত্র সরকারি কলেজে ভর্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি। ফলে অন্যান্য কলেজে আসন পূরণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাস করা শিক্ষার্থীর তুলনায় কলেজগুলোর আসনসংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।
আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. এবাদুল হক বলেন, “কলেজে নতুন শিক্ষার্থীর আসনসংখ্যা ৪৫০টি। এখন পর্যন্ত আবেদন পেয়েছি মাত্র ৪১টি। এসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে কি না, তা নিয়েও নিশ্চিত নই।”
একটি কারিগরি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বাহাউদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় পড়ার জন্য বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বোঝাচ্ছি। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না। এভাবে শিক্ষার্থী না পেলে কলেজ কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।”
কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পটুয়াখালী সদর থেকেও কলেজের শিক্ষকরা দুমকি উপজেলায় এসে বিভিন্ন বাড়িতে যোগাযোগ করছেন। এতে স্থানীয় কলেজগুলো সমস্যায় পড়ছে।”
তিনি জানান, কলেজগুলোর আসনসংখ্যা কমানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষকরা অনুরোধ জানিয়েছেন।
এদিকে, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভর্তির জন্য উৎসাহিত করায় অভিভাবকদের কেউ কেউ দ্বিধায় পড়েছেন। কলেজগুলোর আসন পূরণ ও শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম 

























