ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

দুমকিতে একাদশে ভর্তি, শিক্ষার্থী সংকটে কলেজগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের সংখ্যা কম হওয়ায় শিক্ষার্থী সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা। শিক্ষার্থী ভর্তিতে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দুমকির ২৩টি বিদ্যালয় থেকে ৮০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৭ জন পাস করেছেন। মাদ্রাসা থেকে ৫৬৮ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬০ জন। উপজেলায় সরকারি জনতা কলেজ, আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজ, তিনটি মহিলা কলেজ ও তিনটি কারিগরি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, উপজেলার একমাত্র সরকারি কলেজে ভর্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি। ফলে অন্যান্য কলেজে আসন পূরণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাস করা শিক্ষার্থীর তুলনায় কলেজগুলোর আসনসংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।

আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. এবাদুল হক বলেন, “কলেজে নতুন শিক্ষার্থীর আসনসংখ্যা ৪৫০টি। এখন পর্যন্ত আবেদন পেয়েছি মাত্র ৪১টি। এসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে কি না, তা নিয়েও নিশ্চিত নই।”

একটি কারিগরি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বাহাউদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় পড়ার জন্য বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বোঝাচ্ছি। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না। এভাবে শিক্ষার্থী না পেলে কলেজ কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।”

কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পটুয়াখালী সদর থেকেও কলেজের শিক্ষকরা দুমকি উপজেলায় এসে বিভিন্ন বাড়িতে যোগাযোগ করছেন। এতে স্থানীয় কলেজগুলো সমস্যায় পড়ছে।”

তিনি জানান, কলেজগুলোর আসনসংখ্যা কমানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষকরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভর্তির জন্য উৎসাহিত করায় অভিভাবকদের কেউ কেউ দ্বিধায় পড়েছেন। কলেজগুলোর আসন পূরণ ও শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

দুমকিতে একাদশে ভর্তি, শিক্ষার্থী সংকটে কলেজগুলো

Update Time : ১০:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের সংখ্যা কম হওয়ায় শিক্ষার্থী সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা। শিক্ষার্থী ভর্তিতে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দুমকির ২৩টি বিদ্যালয় থেকে ৮০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৭ জন পাস করেছেন। মাদ্রাসা থেকে ৫৬৮ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬০ জন। উপজেলায় সরকারি জনতা কলেজ, আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজ, তিনটি মহিলা কলেজ ও তিনটি কারিগরি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, উপজেলার একমাত্র সরকারি কলেজে ভর্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি। ফলে অন্যান্য কলেজে আসন পূরণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাস করা শিক্ষার্থীর তুলনায় কলেজগুলোর আসনসংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।

আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. এবাদুল হক বলেন, “কলেজে নতুন শিক্ষার্থীর আসনসংখ্যা ৪৫০টি। এখন পর্যন্ত আবেদন পেয়েছি মাত্র ৪১টি। এসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে কি না, তা নিয়েও নিশ্চিত নই।”

একটি কারিগরি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বাহাউদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় পড়ার জন্য বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বোঝাচ্ছি। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না। এভাবে শিক্ষার্থী না পেলে কলেজ কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।”

কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পটুয়াখালী সদর থেকেও কলেজের শিক্ষকরা দুমকি উপজেলায় এসে বিভিন্ন বাড়িতে যোগাযোগ করছেন। এতে স্থানীয় কলেজগুলো সমস্যায় পড়ছে।”

তিনি জানান, কলেজগুলোর আসনসংখ্যা কমানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষকরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভর্তির জন্য উৎসাহিত করায় অভিভাবকদের কেউ কেউ দ্বিধায় পড়েছেন। কলেজগুলোর আসন পূরণ ও শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রিন্ট করুন :