ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক কলাপাড়ায় কবিরাজের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার

সাংবাদিকতায় নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে বেসরকারি শিক্ষকদের রিট : হাইকোর্টে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাংবাদিকতা ও একাধিক পেশায় যুক্ত থাকার ওপর নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের পর সরকারকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল নিশি জারি করেছেন আদালত।

হাইকোর্টের বিশেষ মূল এখতিয়ারাধীন বেঞ্চে দায়ের করা রিট পিটিশন নম্বর ২২২৪৭/২০২৫-এর শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। রিট শুনানী করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন ও বিচারপতি দিহিদার মাসুদ কবির।

রিটে আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুদ হাসানসহ একাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক। রিটে তাঁরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা নতুন এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ (ক) ও (খ) ধারা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়, গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ ধারায় বলা হয়েছে—এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটির বেশি পেশা বা চাকরিতে যুক্ত থাকতে পারবেন না এবং কোনো ধরনের সম্মানী বা অনারারিয়াম গ্রহণ করলে এমপিও বাতিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।
রিটকারীদের দাবি, এই বিধান অসাংবিধানিক, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থী। বিশেষ করে সাংবাদিকতা একটি সাংবিধানিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ হওয়ায়, কেবল এমপিওভুক্ত হওয়ার কারণে তা নিষিদ্ধ করা যায় না।

শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি রুল জারি করে জানতে চান,
কেন এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ (ক) ও (খ) ধারা বাতিল ঘোষণা করা হবে না।

আদালত জানান, রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি বিচারাধীন থাকবে। আদেশের কপি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে ২০০৮ ও ২০১১ সালে হাইকোর্টে রিটের মাধ্যমে সেই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করা হয়। সেসব মামলায় আদালত রুল জারি করেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বর্তমান রিটটি শিক্ষকদের সাংবাদিকতা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

সাংবাদিকতায় নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে বেসরকারি শিক্ষকদের রিট : হাইকোর্টে রুল জারি

Update Time : ১০:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাংবাদিকতা ও একাধিক পেশায় যুক্ত থাকার ওপর নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের পর সরকারকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল নিশি জারি করেছেন আদালত।

হাইকোর্টের বিশেষ মূল এখতিয়ারাধীন বেঞ্চে দায়ের করা রিট পিটিশন নম্বর ২২২৪৭/২০২৫-এর শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। রিট শুনানী করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন ও বিচারপতি দিহিদার মাসুদ কবির।

রিটে আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুদ হাসানসহ একাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক। রিটে তাঁরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা নতুন এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ (ক) ও (খ) ধারা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়, গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ ধারায় বলা হয়েছে—এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটির বেশি পেশা বা চাকরিতে যুক্ত থাকতে পারবেন না এবং কোনো ধরনের সম্মানী বা অনারারিয়াম গ্রহণ করলে এমপিও বাতিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।
রিটকারীদের দাবি, এই বিধান অসাংবিধানিক, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থী। বিশেষ করে সাংবাদিকতা একটি সাংবিধানিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ হওয়ায়, কেবল এমপিওভুক্ত হওয়ার কারণে তা নিষিদ্ধ করা যায় না।

শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি রুল জারি করে জানতে চান,
কেন এমপিও নীতিমালার ১১.১৭ (ক) ও (খ) ধারা বাতিল ঘোষণা করা হবে না।

আদালত জানান, রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি বিচারাধীন থাকবে। আদেশের কপি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে ২০০৮ ও ২০১১ সালে হাইকোর্টে রিটের মাধ্যমে সেই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করা হয়। সেসব মামলায় আদালত রুল জারি করেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বর্তমান রিটটি শিক্ষকদের সাংবাদিকতা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রিন্ট করুন :