নিজস্ব প্রতিনিধি:
চাকরি মিলবে কি না সেটা নিয়েই মাথা ঘামাতে হয় সাধারণ শিক্ষিত তরুণদের। কিন্তু পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) চাকরি মেলার পথ নাকি একটু ভিন্ন! অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম-নীতি মানা হয়নি, আর সেখানেই দুর্নীতির গন্ধ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এবার সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছেই নিয়োগপত্র ও কাগজপত্র চেয়েছে সংস্থাটি।
আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব নথি জমা দিতে হবে বলে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর আহমেদ।
যেসব কর্মকর্তার নিয়োগপত্র চাওয়া হয়েছে তারা হলেন—ডেপুটি রেজিস্ট্রার তাজবির হোসেন সুমন, সহকারী রেজিস্ট্রার এ্যানি চক্রবর্তী, উপপরিচালক বেল্লাল হোসেন, সহকারী পরিচালক রাশেদুল করিম, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তুহিন সিকদার, উপপরিচালক রাজিব মিয়া, প্রকিউর অফিসার মশিউর রহমান, ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান ইলিয়াছ, ডেভেলপমেন্ট অফিসার মেহেদী হাসান, সহকারী পরিচালক নাদিমুজ্জামান, ডকুমেন্টেশন অফিসার আখিনুর বেগম, সহকারী পরিচালক আবু সায়েম, টেকনিক্যাল অফিসার মাধব চন্দ্র দাস ও উপপরিচালক (অডিট) মনিরুজ্জামান খান।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন অবশ্য শান্ত সুরেই সাউথ বাংলাকে বলেন, “যা যা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিচ্ছি। তবে একসঙ্গে এতজনের কাগজ একত্র করা সময়সাপেক্ষ। তাই কিছুটা সময় বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছি।”
দুদক সূত্র জানায়, উপপরিচালক তানভীর আহমেদ বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণে আছেন। তাই তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















