ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

দুমকীতে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসের চাল ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। এ সময় সরেজমিনে কয়েকজন সুবিধাভোগীর চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। বিতরণস্থলে সরকারি খালি চালের বস্তার স্তূপও দেখা যায়।

সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে চাল নিজস্ব বস্তায় নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে চাল মাপার কারণে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় ৪ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। নিয়মিত চাল কম পাওয়ার অভিযোগ করেন রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ একাধিক সুবিধাভোগী।

তাদের কেউ কেউ জানান, প্রথমদিকে সঠিক পরিমাণে চাল দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও কম দেওয়া শুরু হয়। এ ছাড়া বিতরণের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তা উপস্থিতি দেখিয়ে কিছু সময়ের জন্য বাইরে ছিলেন। গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি সেখানে আসেন বলেও অভিযোগ করেন সুবিধাভোগীরা।

তবে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।’

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি আসার আগে কী হয়েছে, তা জানি না। তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’ বাইরে চাল মাপার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাইরে চাল মাপার বিষয়টি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সেখানে কমবেশি হতে পারে।’

এদিকে, ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুবিধাভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

দুমকীতে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

Update Time : ১২:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসের চাল ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। এ সময় সরেজমিনে কয়েকজন সুবিধাভোগীর চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। বিতরণস্থলে সরকারি খালি চালের বস্তার স্তূপও দেখা যায়।

সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে চাল নিজস্ব বস্তায় নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে চাল মাপার কারণে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় ৪ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। নিয়মিত চাল কম পাওয়ার অভিযোগ করেন রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ একাধিক সুবিধাভোগী।

তাদের কেউ কেউ জানান, প্রথমদিকে সঠিক পরিমাণে চাল দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও কম দেওয়া শুরু হয়। এ ছাড়া বিতরণের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তা উপস্থিতি দেখিয়ে কিছু সময়ের জন্য বাইরে ছিলেন। গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি সেখানে আসেন বলেও অভিযোগ করেন সুবিধাভোগীরা।

তবে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।’

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি আসার আগে কী হয়েছে, তা জানি না। তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’ বাইরে চাল মাপার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাইরে চাল মাপার বিষয়টি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সেখানে কমবেশি হতে পারে।’

এদিকে, ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুবিধাভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রিন্ট করুন :